স্পোর্টস ডেস্ক : গতির সঙ্গে আগ্রাসন মিলিয়ে এবাদতকে বল করতে দেখা এখন দারুণ রোমাঞ্চের। টাইগারদের পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড নিজেই একজন পেস বোলিং কিংবদন্তি। গতির জন্য তার নামই হয়ে গেছে সাদা বিদ্যুৎ। সেই ডোনাল্ডও মুগ্ধ এবাদতে।
বুধবার (২২ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে এবাদত প্রসঙ্গে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেন তিনি। এবাদতের উন্নতির জায়গা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সে তো কাঁপিয়ে দিচ্ছে! ঠিক এক বছর আগে আমি ওকে (এবাদত) যখন সাউথ আফ্রিকায় দেখেছিলাম তখন থেকেই সে প্রভাবিত করে চলেছে। আপনি যদি জিজ্ঞেস করেন কোনো বিভাগে তার উন্নতির প্রয়োজন আছে কি না! সেটাই আমি খোঁজার চেষ্টায় আছি। তবে আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হচ্ছে এবাদত সব সময় খেলার ভেতর নিজেকে সম্পৃক্ত রাখে।’
বল হাতে মার খেলেও এবাদত হতাশ হন না, বরং উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে দেয়। তার গতি যে দলের জন্য সম্পদ তাও জানালেন এই প্রোটিয়া। এবাদতকে দিলেন দারণ এক নাম, ‘চার-ছয় খেলেও সে প্রতি ম্যাচেই উইকেট পাচ্ছে। কখনও কখনও সে ১৪৫-১৪৮ গতিতে বোলিং করছে, আপনি জানবেন এই গতি ম্যাচের কোনো না কোনো অংশে দলের কাজে আসবে। গত ম্যাচেও এটা দেখা গেছে। সে প্রশংসার যোগ্য, সে অ্যাথলেট, কাজ করার জন্য দারুণ একজন; সিলেট রকেট।’
কিংবদন্তি ডোনাল্ডের প্রতি মুগ্ধতা অনেকবারই প্রকাশ করেছেন এবাদত। নিজের উন্নতির পেছনে এই প্রোটিয়ার অবদানের কথা স্বীকার করেন। ডোনাল্ডও সুযোগ পেলেই সময় দেন এবাদতকে। এবাদতের প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথাও জানালেন তিনি, ‘আমি ওর সঙ্গে কাজ করতে ভালোবাসি, দারুণ প্রতিভাবান। পেস বোলিং প্রতিযোগিতা থেকে এখন যে অবস্থায় সে আছে, এটা সে অর্জন করে এসেছে। তিন ফরম্যাটেই দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। আমি শুধু ওর সঙ্গে না, সবার সঙ্গেই কাজ করছি। বিশেষ করে টেক্টিকাল বিষয়গুলোর প্রতি বাড়তি মনোযোগ দিচ্ছি। তিন ফরম্যাটেই ম্যাচের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আমরা কাজ করছি, দল হিসেবে এই জায়গায় আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।’
কিউএনবি/আয়শা/২২ মার্চ ২০২৩,/রাত ৮:৪০