স্পোর্টস ডেস্ক : সোমবার (২০ মার্চ) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলার পর দিন ঢাকায় উপস্থিত হন সাকিব। উদ্দেশ্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডরের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করা।সে অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীরা তাকে প্রশ্ন করেন, কীভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিরন্তর ছুটে চলেন সাকিব, কীভাবে মাঠ ও মাঠের বাইরের সবকিছু সামলান তিনি।
এ প্রশ্নটা আসার পেছনে কারণটাও কারো অজানা নয়। গত ৯ মার্চ ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের আনন্দ শেষ না হতেই মাঠ ছেড়ে তিনি হাজির হন একটি ক্লথিং ব্রান্ডের শাখা উদ্বোধনে। এরপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪ মার্চ ইংলিশদের টি-টোয়েন্টিতে ধবলধোলাই করে তিনি উড়াল দেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে। সেখানে উদ্বোধন করেন এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর স্বর্ণের দোকান। এরপর ১৭ মার্চ দেশে ফিরে পরের দিন সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামেন সাকিব।
তার পরের দিনই রাজধানী ঢাকাতে উপস্থিত হয়ে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) সমাবর্তনে যোগ দিয়ে নিজের স্নাতক ডিগ্রি গ্রহণ করেন টাইগার অলরাউন্ডার। পরের দিন আবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। পরের দিন মঙ্গলবার তিনি সিলেট থেকে ঢাকায় আবার হাজির হন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অনুষ্ঠানে।
তাই স্বাভাবিকভাবেই সাকিবের কাছে প্রশ্ন, কীভাবে এতকিছু সামলান তিনি। জবাবে টাইগার অলরাউন্ডার অবশ্য ছিলেন কিছুটা কৌশলী। কিছুটা হেসে উত্তর দিলেন, ‘যে পারে, সে সবকিছুই পারে।’
এদিন অবশ্য গণমাধ্যমকর্মীদের ক্রিকেট নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন না করতে অনুরোধ করেন তিনি। তার আগেই অবশ্য বৃষ্টিতে দ্বিতীয় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ৩৪৯ রানের রেকর্ড দলীয় সংগ্রহ, মুশফিকের দ্রুততম সেঞ্চুরি; এমন একটি ম্যাচে বৃষ্টি জয় বঞ্চিত করেছে বাংলাদেশকে। সাকিব বলেন, ‘জিতে গেলে ভালো হতো অবশ্যই, বিশেষ করে যারা ভালো খেলছে। মুশফিক ভাইর জন্য আরও ভালো হতো আমার মনে হয়। কিন্তু বৃষ্টি তো আমাদের হাতে নেই, এটা হতেই পারে।’
কিউএনবি/আয়শা/২১ মার্চ ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:০০