তিনি বলেন, বেইজিংয়ের দাবিকে দুর্বল করার জন্য তাইওয়ানকে ব্যবহার করে যেকোনো মার্কিন প্রচেষ্টা একটি লাল রেখা অতিক্রম করতে পারে এবং দুই শক্তির মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ওয়াং বলেন, ভবিষ্যতে ওয়াশিংটর এমন একটি চীন নীতি গ্রহণ করতে পারে যার মধ্যে ‘চীনের লাল রেখা অতিক্রম করে তাইওয়ানের মাধ্যমে চীনকে বিভক্ত করার জন্য প্রচারণা ও ষড়যন্ত্র করতে পারে।
এটি সম্ভবত চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘর্ষের দিকে পরিচালিত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা করেন, ওয়াশিংটন একটি ‘ইতিবাচক এবং বাস্তবসম্মত’ পদ্ধতি অনুসরণ করবে, তবে বেইজিং বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবেলা করতেও প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, চীন স্বশাসিত তাইওয়ানকে তার নিজস্ব অঞ্চল হিসাবে দাবি করে এবং এটিকে তার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থক এবং বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী এবং তাইওয়ান চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে মার্কিন সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হবে।
সম্মেলনের ওয়াং টোকিওর সঙ্গে বেইজিংয়ের বর্তমান সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। যা অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তীব্র চাপের মধ্যে রয়েছে। জাপানি জনগণের আর নিজেদেরকে অতি-ডানপন্থী শক্তির দ্বারা, অথবা যারা সামরিকবাদ পুনরুজ্জীবিত করতে চায় তাদের দ্বারা পরিচালিত বা প্রতারিত হতে দেওয়া উচিত নয় বলে জানান তিনি।
তিনি স্বরণ করিয়ে দেন সমস্ত শান্তিপ্রিয় দেশের জাপানকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা পাঠানো উচিত যদি তারা এই পথে ফিরে যেতে চায়, তবে তারা নিজদের ধ্বংস ডেকে আনবে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি