ডেস্ক নিউজ : বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২১ সালে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান হলে শেভরন এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মিয়ানমার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সিদ্ধান্ত নেয়ার এক বছর পর শেষ পর্যন্ত এই চুক্তির মাধ্যমে দেশটি ত্যাগ করতে পারবে শেভরন। প্রতিষ্ঠানটি দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা করেছে।
তবে এ বিষয়ে মিয়ানমারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্তব্যের জন্য রয়টার্স অনুরোধ করলে তাতে কোনো সাড়া মিলেনি। মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা এমটিআই-এর মালিকানাধীন একটি কোম্পানির কাছে ইয়াদানা প্রজেক্টের ৪১ দশমিক ১ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করছে। তবে কি পরিমাণ অর্থে এ লেনদেন করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।
ইয়াদানা প্রজেক্টের যে প্রাকৃতিক গ্যাাস উৎপাদিত হয়, তা মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ব্যবহারের পাশাপাশি থাইল্যান্ডেও রফতানি করা হয়। এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে ফরাসি তেল উৎপাদক টোটালএনার্জিস তাদের সম্পদ বিক্রি করে মিয়ানমার ছেড়ে চলে যায়।
এক বছর ধরে একটি ব্যবসায়ী কৌশল পরিচালনা করে শেভরন মিয়ানমারে তাদের বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থের পরিমাণ কমিয়ে আনে। এর পিছনে কারণ হচ্ছে, এ অর্থের একটি অংশ শেষ পর্যন্ত দেশটির সামরিক সরকারের হাতে যায়। দেশটির রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত এমওজিই এই প্রকল্পের সহ-অংশীদার।
ইয়াদানা প্রজেক্টে নিজেদের সম্পদ বিক্রি করার ঘোষণা দেয়ার আগে শেভরন সাময়িকভাবে তাদের শেয়ার ২৮ শতাংশ বাড়িয়ে ৪১ শতাংশ করে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটি টোটালএনার্জিসের শেয়ারও কেনে নেয়। তাদের এই কৌশলটির লক্ষ্য ছিল যৌথ মালিকানার ওই প্রকল্পে তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়ানো। যাতে করে এমওজিই এসব লেনদেন থেকে তেমন একটা লাভবান না হতে পারে।
২০২১ সালে সামরিক সরকার ক্ষমতা দখল করার সময় অভিযোগ করেছিল যে কিছুদিন আগে হওয়া সাধারণ নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে। ওই নির্বাচন নোবেল জয়ী অং সান সু চির দল জয়লাভ করেছিল।
কিউএনবি/আয়শা/১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/সন্ধ্যা ৬:২৮