বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০ নতুন ধারা বাংলাদেশ’র শান্তাসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ উত্তরাঞ্চলের তিন জেলার উন্নয়নে একটি মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে: নির্মলা সীতারামন ‘তাকে ছাড়া গজনি সফল হতো না’, প্রদীপ রাওয়াতকে আমির খানের শ্রদ্ধাঞ্জলি ‘গ্রেফতারের নাটক সাজিয়ে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা’, বিধানসভায় বিজয়কে একহাত নিলেন উদয়নিধি হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০৮৩ আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশা গ্রেপ্তার জুলাই আহত যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

কৈশরে কোন যোগ ব্যায়ামে বাড়বে উচ্চতা?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৯৪ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : ‘ইস! যদি আরেকটু লম্বা হতে পারতাম!’ ছোটবেলায়, বিশেষত কৈশোরে বহু ছেলেমেয়ের গোপন দীর্ঘশ্বাস থাকে এই আফসোস নিয়ে। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কম উচ্চতা সমাজে একটা লোকলজ্জার বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বয়স অনুপাতে খর্বকায় হলে বডি শেমিংয়ের শিকার হন না- আমাদের সমাজে এটা অতি বিরল!

বিভিন্ন কারণে কারও কারও দৈহিক উচ্চতা বৃদ্ধি মন্থর থাকে, আবার কারও কারও উচ্চতা সেভাবে আর বাড়ে না।

উচ্চতা কেন কম-বেশি হয়? 

উচ্চতা না বাড়ার মূল কারণ হিসেবে জেনেটিক্স বা বংশগতিতে দায়ী করা হয়। অর্থাৎ, সন্তানের উচ্চতা হবে বাবা বা মা অথবা উভয়ের উচ্চতার কাছাকাছি- এমনটাই ধারণা বেশিরভাগ মানুষের।

দৈহিক উচ্চতার ক্ষেত্রে জিনের প্রভাব আছে ঠিক, তবে এর বাইরেও আছে আরও কিছু কারণ।

গবেষণার আলোকে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ৬০-৮০ ভাগ ক্ষেত্রে উচ্চতা কম-বেশির কারণ জিন। বাকি ২০ থেকে ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে প্রভাব রয়েছে পুষ্টি, লাইফস্টাইলসহ পারিপার্শ্বিক কিছু বিষয়ের।   

হরমোনগত কারণও উল্লেখ্য

উচ্চতা বৃদ্ধিতে যে হরমোনটি কাজ করে তার নাম হিউম্যান গ্রোথ হরমোন (এইচজিএইচ)। এটি নিঃসৃত হয় পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে।
অলস জীবনযাপন করলে এবং শরীরে পুষ্টিঘাটতি থাকলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে শরীরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে। কাজেই দেহমনের বিকাশে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর, বিশেষত ভিটামিন-ডি, প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ জরুরি।

১ কোটি ৮৬ লাখ মানুষের ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বেশ কিছু দেশে গত ১০০ বছরে মানুষের গড় উচ্চতা বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে গবেষকেরা বলছেন সেখানকার অধিবাসীদের পুষ্টিগ্রহণে উন্নতির কথা।  

উচ্চতা বাড়ে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত

ব্যক্তিভেদে ১৮ থেকে ২০ বছর হলো উচ্চতাবৃদ্ধির সময়। এই বয়সের পর হাড়ের গ্রোথ প্লেটগুলো এঁটে যায়। অর্থাৎ এরপর আর তেমনভাবে উচ্চতা বাড়েনা। 

গ্রোথ প্লেট হলো শিশু-কিশোরদের লম্বা হাড়ের প্রান্তবর্তী টিস্যু অঞ্চল, যা পরিণত বয়সে হাড়ের দৈর্ঘ্য ও আকার কেমন হবে তা নির্ধারণ করে।

বয়ঃসন্ধিকালের শেষদিকে হরমোনগত পরিবর্তনের ফলে গ্রোথ প্লেট শক্ত বা ‘বন্ধ’ হয়ে যায়। এতে থেমে যায় হাড়ের বৃদ্ধি; ফলে উচ্চতা আর বাড়ে না। কাজেই উচ্চতাবৃদ্ধিতে যা কিছু করণীয় তা করতে হবে এই বয়সসীমার মধ্যেই।

জীবনের এই পর্যায়টুকুতে সঠিক পুষ্টির পাশাপাশি নিয়মিত যোগাভ্যাসের মাধ্যমে সম্ভব উচ্চতাবৃদ্ধি।

যে ৩টি যোগাসন করে আপনি আপনার দৈহিক উচ্চতায় বাড়তি কয়েক ইঞ্চি যোগ করতে পারেনঃ

১. হস্তপদাসন
দু’পায়ের মধ্যে ৪/৫ আঙুল পরিমাণ ফাঁকা রেখে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ান। এবার হাত দুটো সোজা করে ওপরের দিকে তুলুন। দুই কানের সাথে দু’হাত লেগে থাকবে, হাতের তালু থাকবে সামনের দিকে।

এবার পা টানটান রেখে ধীরে ধীরে শরীরের ওপরের অংশ কোমর থেকে সামনের দিকে নামাতে থাকুন। কপাল হাঁটুর সাথে এবং পেট ও বুক ঊরুর সাথে লেগে থাকবে। হাত দিয়ে দু’পায়ের গোড়ালি ধরতে চেষ্টা করুন। খেয়াল রাখুন যাতে হাঁটু ভেঙে না যায়।

১০-২০ সেকেন্ড এই ভঙ্গিমায় থাকুন। এভাবে ৩-৫ বার করতে হবে।

২. শশাঙ্গাসন
প্রথমে বজ্রাসনের মতো করে বসুন। এবার হাঁটুতে ভর করে শরীরের ওপরের অংশ সোজা রেখে ওপরের দিকে তুলুন।

এরপর আস্তে আস্তে মাথা সামনের দিকে বাঁকিয়ে কপাল হাঁটুর সাথে লাগাতে চেষ্টা করুন। দু’পায়ের গোড়ালি লেগে থাকবে; হাত দিয়ে গোড়ালি দুটো ধরুন। মাথার তালু মাটিতে এবং থুতনি গলার শেষ প্রান্তে লেগে থাকবে।

শেষ অবস্থানে গিয়ে ১০-২০ সেকেন্ড থাকুন।

৩. পশ্চিমোত্তানাসন
দুই পা সামনে ছড়িয়ে মেরুদণ্ড সোজা রেখে বসুন। এবার আস্তে আস্তে মাথা নিচু করে যতদূর সম্ভব সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে পা ধরতে চেষ্টা করুন। পা দুটো জোড় বেঁধে থাকবে; হাঁটু থাকবে সোজা।

আস্তে আস্তে দুহাত দিয়ে দুপায়ের বুড়ো আঙুল ধরুন। কনুই মাটিতে লেগে থাকবে। দম থাকবে স্বাভাবিক।

আসনগুলো চর্চার ক্ষেত্রে যা খেয়াল রাখবেন  
প্রথমদিকে কোনো আসনই শতভাগ সঠিক ভঙ্গিমায় করতে পারবেন না। তাই সঠিক ভঙ্গিমায় যেতে জোরাজুরি না করে যতটা যায় ততটাই করুন। নিয়মিত চর্চা করলে ধীরে ধীরে শরীর নমনীয় হবে, আপনি সঠিক ভঙ্গিমায় যেতে পারবেন।

আর যেকোনো ইয়োগা আসন চর্চার আগে অভিজ্ঞ ডাক্তার বা ইয়োগা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। কারণ কিছু কিছু আসন আছে যেগুলো বিশেষ বিশেষ রোগ থাকলে করা উচিৎ নয়।

কিউএনবি/অনিমা/১২ জানুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৪:২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit