শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাঙামাটি শহরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ রিটন চাকমা আটক নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-ছেলের মৃত্যু তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসই নদীশাসনের প্রত্যয়, লালমনিরহাটে তিন মন্ত্রীর ব্যারাজ ও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন লন্ডনে এক পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ আটোয়ারীতে আগমনী কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধী সমাজকল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা, গাছের চারা বিতরণ ও অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবর্তন করা হচ্ছে সেই দুই ইউনিয়নের নাম পুরোনো ভিডিও দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের গুজব ছড়াচ্ছে আ.লীগ:পুলিশ নওগাঁয় আর.সি.সি রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

ডিমের কুসুমের ভিন্ন রং, কোনটির পুষ্টিগুণ বেশি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১২ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিন সকালে নাশতায় ডিম তো থাকেই। ছোটদের জন্যও ডিম খুব উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়া উচিত। এতে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

একটা জিনিস খেয়াল করছেন, ডিমের কুসুমের রং কিন্তু ভিন্ন হতে পারে? যেমন হলুদ, গাঢ় কমলা ইত্যাদি। অনেকের মনেই প্রশ্ন আসতে পারে কোন রঙের কুসুমের স্বাস্থ্যগুণ বেশি বা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অনেকের মনে হতে পারে গাঢ় রঙের কুসুমের পুষ্টিগুণ বেশি। এ নিয়ে এত চিন্তা না করে চলুন পড়ে ফেলি বিষয়টা আসলে কী?

কেন ভিন্ন রং হয়

সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, কুসুমের রং নির্ভর করে মুরগি কী ধরনের খাবার খাচ্ছে তার ওপর। তবে কুসুমের রং গাঢ় হয় এতে থাকা ক্যারোটিনয়েডের উপস্থিতির ওপর। এই বিশেষ রঞ্জক পদার্থটি ডিমের রং কমলা হতে সাহায্য করে।

যেসব মুরগি খোলা জায়গায় ঘুরে বেড়ায় সেসব মুরগির ডিমের কুসুমের রং কমলা বা গাঢ় হয়। এ ধরনের মুরগি নিজের খাবার নিজেই সংগ্রহ করে প্রাকৃতিকভাবে। এ খাবারগুলোই ক্যারোটিনয়েডের উৎস হিসেবে কাজ করে। ফলে কুসুমের রং কমলা হয়।

অন্যদিকে খামারে যেসব মুরগি পালন করা হয় তাদের কিছু নির্দিষ্ট খাবার দেওয়া হয়। সেই খাবারগুলো আসলে প্রাকৃতিকভাবে আসে না। তাই ওই খাবার থেকে খামারের মুরগি ক্যারোটিনয়েড পায় না। ফলে কুসুমের রং হালকা বা হলুদ হয়।

বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

বিশেষজ্ঞদের মতে, খামারের মুরগির ডিমেও গাঢ় কুসুম পাওয়া সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের খাবার খাওয়ানো দরকার। মুরগির রোজকার খাবারে কিছু নির্দিষ্ট পুষ্টি উপাদান থাকলেই কুসুমের রং গাঢ় হবে।  

পুষ্টিগুণ

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রাকৃতিকভাবে যেসব মুরগি খাবার খুঁজে খায় সেসব মুরগির ডিমে পুষ্টি উপাদান একটু বেশি থাকে। এ ধরনের ডিমে ভিটামিন এ, ভিটামিন ই এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। রং গাঢ় হওয়ায় ক্যারোটিনয়েডের পরিমাণও বেশি হয়। স্বাদও বেশি।  

শেষ কথা

মুরগির ডিমের কুসুম হালকা হলুদ, সরিষা হলুদ, লালচে কমলা থেকে শুরু করে গাঢ় লালচে কমলা বা রক্ত ​​লালসহ বিভিন্ন রঙের হতে পারে। সবই আসলে নির্ভর করে মুরগিকে কী খাবার দেওয়া হয়েছে তার ওপর। যদিও মুরগির খাবার ডিমের পুষ্টির মানকে খুব বেশি পরিবর্তন করে না। তবু খোলা জায়গায় ঘুরে বেড়ানো মুরগির ডিম খাঁচায় আটকানো মুরগির ডিমের চেয়ে ভালোই হবে।  

সূত্র : ইকোপিনাট ডটকম ও হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৫ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:৩৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit