বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদ নির্বাচনে পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. তাকজিল খলিফা কাজলকে যেন এজেন্ট না দেওয়া হয় সেই আবেদন জানানো হয়েছে। নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ড আখাউড়া উপজেলার দুই প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ভ‚ইয়া ও মো. সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রিটানিং অফিসার (জেলা প্রশাসক) বরাবর বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে এ আবেদন জানান।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে চার সদস্য প্রার্থী একই ধরণের অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে লিখিত রিটানিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছিলো। রিটানিং অফিসারের কাছে দেওয়া পৃথক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালের ২৫ জুলাইয়ের জেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে মেয়র কাজল এজেন্ট থেকে তার লোকজন নিয়ে শক্তি প্রয়োগ করে আতাউর রহমান নাজিমকে ভোটে জয়ী করে। আতাউর রহমান এবারও প্রার্থী। এ অবস্থায় আবারও সাঙ্গাপাঙ্গ দিয়ে জোরজবরদস্থি করা হতে পারে বলে অভিযোগকারি দুই প্রার্থী শঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, ভোটাররা যেন ভোট দিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে রাখেন- সে জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শাহবুদ্দিন বেগ শাপলুসহ কয়েকজন এ কাজটি নিশ্চিত করবেন বলে তারা জানতে পেরেছেন। সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী ভ‚ঁইয়া ও সাইফুল ইসলাম জানান, নানা কারণেই ভোট নিয়ে তারা বেশ শঙ্কিত ও আতঙ্কিত।
হেরে যাওয়ার ভয়ে আতাউর রহমানের নাজিমের পক্ষে ভোটারদেরকে নানাভাবে প্রভাবিত করা হচ্ছে। ভোট দিয়ে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে রাখার জন্যও বলা হচ্ছে, যা নির্বাচনী বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আতাউর রহমান নাজিম অবশ্য বলেন, ‘কাউকেই প্রভাবিত করা হচ্ছে না। আর ভয়ভীতি দেখানো হলে তো ভোটাররা অভিযোগ করতো। মূলত ভোটে নিজেদের নড়বড়ে অবস্থানের কারণেই অন্য প্রার্থীরা এ ধরণের ঢালাও অভিযোগ করছেন।’
অবশ্য তাকজিল খলিফা কাজল শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে ও সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলছেন যে, এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। প্রার্থীদের দিয়ে কেউ এটা করাচ্ছেন। তিনি একজন ভোটার হিসেবে শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর জন্য ভোট চাচ্ছেন।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৫৮