মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকাসহ যেসব অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস প্রতিদিন কাঁচা রসুন খেলে যেসব বড় রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন এমপি আনোয়ারুল ৩ দিনের মধ্যেই নতুন কোচ পাচ্ছেন হামজারা, আলোচনায় আছেন যারা  কোম্পানীগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্র-ইয়াবাসহ আটক ৬ চৌগাছায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্য দিবস পালন খাগড়াছড়িতে বিএনপি-জামায়াত পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ, আহত ৪। হাকালুকি হাওর পাড়ের কৃষকদের বৈরী আবহাওয়া আর বানের জলের সাথে লড়াই  মে মাসের ১২ কেজি এলপিজির দাম ঘোষণা একটু বৃষ্টিতেই ডুবছে ঝালকাঠির সড়ক, টেন্ডার হলেও কাজ শুরু না করায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ

ভ্যানচালক সিদ্দিক হত্যায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৩১ Time View

ডেস্ক নিউজ : দশ বছর আগে কুষ্টিয়ায় ভ্যানচালক আবু বক্কর সিদ্দিককে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। ছয় আসামির আরেকজনকে সাজা কমিয়ে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা দণ্ডিতরা হলেন- সাজ্জাদ, মাজেদ, শুকচাঁদ, রাশিদুল ইসলাম (পলাতক) ও মনছের আলী। সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে কালাই ওরফে জলিলকে।

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের আবেদন) ও আপিলের শুনানি শেষে বুধবার এ রায় দেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও এ কে এম ফজলুল হক খান ফরিদ। পলাতক রাশিদুল ইসলামের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. হাফিজুর রহমান খান।   

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাক্ষ্য-প্রমাণ বিবেচনায় কালাই ওরফে জলিলের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কমিয়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর অপর পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদারত। ‘কুষ্টিয়া সদরের জিয়ারখি ইউনিয়নের জোতপাড়া গ্রামের ভ্যানচালক আবু বক্কর সিদ্দিক ২০১২ সালের ১০ জুন সন্ধ্যায় বাড়িতে ভ্যান রেখে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। রাত ১০টার দিকে আসামিরা আবু বক্করকে ডেকে পাশের মাঠে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও পুরুষাঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরদিন সকালে জোতপাড়া কাঞ্চিখালী মাঠ থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।  

ওই দিনই আবু বক্করের বড় ভাই নুর হক মণ্ডল সাতজনের নাম উল্লেখ করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাজ্জাদ ও মাজেদকে প্রধান আসামি করা হয়। সাত আসামির মধ্যে কামরুল ইসলাম নামের একজন পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ছয় আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দেন। বিচারিক আদালতের রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আসামিরাও আপিল ও জেল আপিল করেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ সেপ্টেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/রাত ৮:১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit