বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাঁচ বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা জল্পনায় ইতি টেনে অমিতাভ বললেন ‘অবসর নয়, ঘুমাতে যাচ্ছিলাম’ ম্যানইউর ইংলিশ বিস্ময়বালকের ক্লাব ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় হতবাক কর্তৃপক্ষ-সমর্থকরা ডাকসুর মেঝেতে জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি রেখে শিক্ষার্থীদের পদদলন মুডিসের সুখবর: বাংলাদেশের ঋণমান এখন ‘স্থিতিশীল’ ‎দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে—–সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আশুলিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সমর্থন করায় পোশাক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ আটোয়ারী উপজেলা দুপ্রক’র উদ্যোগে সততা স্টোর পরিদর্শন ও আলোচনা সভা হাতিয়ায় ফের শ্রেণি কক্ষে অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী

পাকিস্তানকে হারিয়ে ষষ্ঠ শিরোপা জয় শ্রীলঙ্কার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৮৫ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। যার জবাব দিতে নেমে মদুশানের জোড়া আঘাতে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। রিজওয়ানের ফিফটিতে সেই চাপ কিছুটা কাটিয়ে উঠলেও লঙ্কানদের সাঁড়াশি বোলিং-ফিল্ডিংয়ে শেষ পর্যন্ত ২৩ রানেই হেরে যায় বাবরের দল।

নির্ধারিত ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান তুলতে পারে পাকিস্তান। ফলে ২৩ রানের দুর্দান্ত জয়ে শ্রীলঙ্কাকে ষষ্ঠবারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা এনে দিল দাসুন শানাকার দল।

শিরোপা জিততে ১৭১ রান করতে হত বাবর আজমদের। সেইলক্ষ্যে নেমে প্রথম তিন ওভারে দেখেশুনে ২০ রান তোলে পাকিস্তান। যার মধ্যে ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১১টি বল করে মোট ১২ রান দেন দিলশান মদুশাঙ্কা। পরে দ্বিতীয় ওভার করতে এসে অবশ্য মাত্র একটি চার দেন তরুণ এই বোলার।

নিজের প্রথম ওভারের তিক্ততা ভুলে প্রমাদ মদুশানের করা চতুর্থ ওভারেই নিজের জাত চেনান মদুশাঙ্কা। ফাইন লেগে ফিল্ডিং করা এই ক্রিকেটারের অসাধারণ এক ক্যাচেই যে ক্রিজ ছাড়া হতে হয় পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবর আজমকে। উপরে অনেকখানি লাফিয়ে উঠে বাঁহাতে বলটি গ্রিপ করেন লঙ্কান তরুণ।

ফলে চলতি এশিয়া কাপের ফাইনালেও ব্যর্থ (৬ বলে ৫ রান) হয়ে ফিরতে হয় বাবরকে। এবারের আসরে এ নিয়ে মোট ৬৮ রান আসে বাবরের ব্যাট থেকে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন গত ম্যাচে এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই।

এদিকে, বাবর আজম ফিরতেই তার পথ ধরেন ক্রিজে আসা ফখর জামানও (০)। কারণ পরের বলেই তাকে প্লেড-অনে বোল্ড করেন প্রমাদ মদুশান। ফলে চতুর্থ ওভারে মাত্র ২২ রানেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান।

এরপর ক্রিজে এসে রিজওয়ানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন ইফতিখার আহমেদ। তবে খুব বেশিদূর যেতে পারেননি এই ব্যাটার। ওভার প্রতি যখন সাড়ে ১১ করে রান প্রয়োজন ঠিক তখনই ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন ইফতিখার।

ফেরেন ৩১ বলে দুই চার ও এক ছয়ে ৩২ রানের ইনিংস খেলে। ফলে ৯৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। তার আগে অবশ্য রিজওয়ানের সঙ্গে গড়েন ৫৯ বলে ৭১ রানের মূল্যবান জুটি। মোহাম্মদ নওয়াজ ৬ রানে আউট হন একইভাবে।

সঙ্গী আউট হতেই ছক্কা হাঁকিয়ে ফিফটি পূরণ করে রানের চাপে মারমুখী হন রিজওয়ানও। তবে পাকিস্তানি ব্যাটারদের জন্য এদিন যেন ছক্কা অনেক দূরেই ছিল। যে কারণে থেমে যেতে হয় পাকিস্তানের এই রান মেশিনকেও। দলের পক্ষে এদিন সর্বোচ্চ ৫৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হন রিজওয়ান। তার ৪৯ বলের এই ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি মাত্র ছয়ের মার।

রিজওয়ানের আগেই অবশ্য মাত্র ৬ রান করে ফেরেন ভারত ম্যাচের নায়ক মোহাম্মদ নওয়াজ। যথারীতি ব্যর্থ হন আসিফ আলী (০), খুশদিল শাহ (২) ও শাদাব খানরা (৮)। ফলে ২৩ রানের জয়ে উল্লাসে মাতে লঙ্কানরা।

শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে এদিন মদুশাঙ্কা ৪টি, হাসারঙ্গা ৩টি ও করুনারত্নে ২টি উইকেট লাভ করেন। তবে ম্যাচ সেরা হন দুর্যোগ মুহুর্তে ব্যাট হাতে ঝড়ো ফিফটি হাঁকানো ভানুকা রাজাপাকশেই।

এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজাপাকশের দুর্দান্ত ফিফটিতে চড়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান জড়ো করে শ্রীলঙ্কা।

যদিও ব্যাটিংয়ের শুরুটা শেষের মতো এমন সুন্দর ছিল না শ্রীলঙ্কার। প্রথম ওভারেই কুশল মেন্ডিসের উইকেট হারায় তারা। কোনো রানই করতে পারেননি লঙ্কান এই রান মেশিন। 

এরপর দলীয় ২৩ ও ব্যক্তিগত ৮ রানে পাথুম নিসাঙ্কা আউট হলে চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। আর দলীয় ৫৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট পড়ে গেলে লঙ্কানদের সেই চাপ রূপ নেয় বিপর্যয়ে। এসময়ে দানুশকা গুনাথিলাকা ১, অধিনায়ক দাসুন শানাকা ২ এবং ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ২৮ রান করে আউট হন।

তবে এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। বিশেষ করে ভানুকা রাজাপাকশের ব্যাটে চড়ে। ব্যাট হাতে পাল্টা আক্রমণে ঝড় তুলে মাত্র ৩৫ বলেই ফিফটি তুলে নেন ভানুকা। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে।

বাঁহাতি এই ব্যাটারের ৪৫ বলে হাঁকানো ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটির এই ইনিংসে ছিল ছয়টি চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কার মার। এর মধ্যে অবশ্য দুইবার জীবনও পান রাজাপাকশে।

পাকিস্তানি ফিল্ডারদের এমন বদান্যতার দিনে ভানুকাকে যোগ্য সঙ্গ দেয়া হাসারঙ্গা ২১ বলে ৩৬ রান ও চামিকা করুনারত্নে ১৪ বলে ১৪ রান করেন। দুইজনেই একটি করে ছক্কা হাঁকালেও হাসারঙ্গার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চারের মার।
  
পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে এদিন সবচেয়ে সফল ছিলেন হারিস রউফ। ২৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করেন ডানহাতি এই পেসার। এছাড়া নাসিম শাহ, শাদাব খান ও ইফতিখার আহমেদ একটি করে উইকেট লাভ করেন।

কিউএনবি/অনিমা/১২.০৯.২০২২/সকাল ৮.৪৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit