মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পলাশপুর জোন ৪০ বিজিবির উদ্যােগে  ত্রাণ সামগ্রী ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান। ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির মোহনপুর সীমান্তে চোরাচালান অভিযান চালিয়ে ৩ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকার মাদক আটক॥ দুর্নীতি ‘জিরো টলারেন্সে’ আনতে কাজ করে যাচ্ছি: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নওগাঁয় সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষিকার প্রাণহানি! খবর শুনে হার্ট অ্যাটাকে ছাত্রীর মৃত্যু ডেপুটি স্পীকারের নির্দেশে, দুর্গাপুরে পরিচ্ছন্ন অভিযান আটোয়ারীতে ভূমিসেবা মেলা শুরু পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ি থকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট পার্বতীপুরে তিনদিন ব্যাপী ভূমি মেলা ২০২৬ শুরু  নরসিংদীতে আয়নাবাজি ফের গ্রেপ্তার  ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

নবীজি (সা.)-এর প্রথম সামরিক অভিযান

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১১০ Time View

ডেস্ক নিউজ : দ্বিতীয় হিজরির সফর মাসে সংঘটিত হয় গাজওয়ায়ে আবওয়া সামরিক অভিযানে মহানবী (সা.) সর্বপ্রথম সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এটি গাজওয়ায়ে ওয়াদ্দান নামেও পরিচিত। আবওয়া ও ওয়াদ্দান দুটি নিকটবর্তী স্থান। দূরত্ব ছয় থেকে আট মাইল। এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল একটি কুরাইশ কাফেলা ধরতে এবং বনু জামরায় অভিযান চালান। মুসলিম কাফেলা আবওয়া পৌঁছার আগে কুরাইশ কাফেলা স্থান অতিক্রম করে গিয়েছিল। তবে বনু জামরার সর্দার মাখশি ইবনে আমরের সঙ্গে সন্ধিচুক্তি হয়। সন্ধির প্রধান শর্তগুলো ছিল, ‘বনু জামরা মুসলমানের সঙ্গে যুদ্ধ করবে না এবং মুসলমানের কোনো শত্রুকেও সাহায্য করবে না। মুসলমানের সঙ্গে প্রতারণা করবে; বরং প্রয়োজনে মুসলিমদের সাহায্য করবে। ’

অভিযানে বের হওয়ার সময় মহানবী (সা.) সাদ ইবনে উবায়দা (রা.)-কে প্রনিতিধি নিযুক্ত করেন। এই অভিযানে হামজা (রা.)-এর হাতে ঝাণ্ডা ছিল। এই অভিযানে কতজন মুসলিম অংশগ্রহণ করেছিল তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মতবিরোধ আছে। কেউ বলেছেন, শুধু ৬০ জন মুহাজির সাহাবি অংশ নেন। আর কেউ বলেন, দুই শ সাহাবি অংশ নেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পদব্রজে যান, কেউ অশ্বারোহী ছিলেন। কোনো রক্তপাত ছাড়াই মহানবী (সা.) ১৫ দিন পর মদিনায় ফিরে আসেন। (ড. আলী মুহাম্মদ সাল্লাবি, আস-সিরাহ আন-নাবাবিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৩৬৩; সিরাতে মোস্তফা : ২/৪৬)

এরপর কুরাইশের একটি বাণিজ্য কাফেলাকে আটক করতে নবীজি (সা.) দ্বিতীয় হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে দুই শ সাহাবিকে সঙ্গে নিয়ে বুওয়াতের অভিযানে বের হন। তাঁর ইচ্ছা ছিল বুওয়াত নামক স্থানে কাফেলাকে আটক করবে। কিন্তু মুসলিম বাহিনী পৌঁছার আগেই কুরাইশ কাফেলা স্থান অতিক্রম করে যায়। বাণিজ্য কাফেলার নেতৃত্বে ছিল উমাইয়া বিন খালফ। এতে এক শ মানুষ ও আড়াই হাজার উট ছিল। এই অভিযানে মুসলমানের পতাকার রং ছিল সাদা এবং তা সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) বহন করেন। অভিযানে বের হওয়ার আগে নবীজি (সা.) সাদ বিন মাআজ (রা.)-কে মদিনার আমির নিযুক্ত করেন। তিনি ছিলেন হামশায় হিজরতকারী সাহাবিদের মধ্যে অগ্রগামী। (আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ২০৫)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৪:৩২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit