শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নেপালকে উড়িয়ে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের শুভসূচনা সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লজ্জার রেকর্ডে পাকিস্তানের নাম রাওয়ালপিন্ডিতে বাথরুমে হাত-পা বাঁধা নারীর মরদেহ, স্বামী ও গৃহকর্মী গ্রেফতার ভারতে এমপির ছেলের গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু নিজের স্বপ্নের পথে পূজা চেরি: ‘অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি’ সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি ৬ ভারতীয় নাবিক সমুদ্রে ভারত-জাপানের শক্তিবৃদ্ধি, কৌশলগত চাপে চীন নিজের বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে ক্যাটারিং দলের কর্মীদের চিকিৎসা দিলেন ডাক্তার কনে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, সেপ্টেম্বরে পে স্কেলের গেজেট

নিদ্রা : যে সৈকতে ঘুম নেই কারো

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২
  • ৩২০ Time View

ডেস্কনিউজঃ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকতের দেশ বাংলাদেশ। প্রকৃতির অপরূপ রূপ মেলে অহর্নিশ জেগে থাকে সেই বেলাভূমি। প্রহরে প্রহরে সে রূপ বদলায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের কিরণ ঢেউ খেলে যেতে থাকে নোনা নীলে। মধ্যদুপুরে তার আরেক রূপ। বহুদূর দিগন্তে চোখ মেলে তাকানো যায় না। নীল-রূপালির মিলিত সৌন্দর্যে রূপালির সেখানে জয়জয়কার। আবার দিন যত গড়ায় বাড়তে থাকে নীলের বাহার। বিকেলে সে কোমলতা ছাড়ায়। রাতে সেই সমুদ্রের আরেক রং। তারা যেন এভাবেই জেগে থাকে অন্যদের বিমোহিত করতে।

বাংলাদেশে সাগর সৈকতের এমন মোহনীয় রূপ শুধু কক্সবাজার নয় উপকূলীয় কয়েকটি জেলাতেও দেখা যায়। তেমনই একটি সৈকতের নাম ‘নিদ্রা’। পর্যটনপ্রিয়দের কাছে এই সৈকতের নাম এখনও ততোটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। তবে কেউ একবার নিদ্রা গেলে মনে রাখবেন সারাজীবন।

সাগরের মোহনায় বেড়ে ওঠা কেওড়া ও ঝাউবনের ঘেরা সবুজ এক দৃষ্টিনন্দন সৈকত নিদ্রা। বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নে এর অবস্থান। পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর মিলনস্থান এটি। ফলে সাগর সঙ্গমে সাঁতার কাটার স্বপ্নটাও আপনি এখানে পূরণ করে নিতে পারেন। নদী অববাহিকার নোনা পানিতে সৃষ্টি হয়েছে প্রায় দুই কিলোমিটার লম্বা বেলাভূমি। যা সবসময় সাগরের মুক্ত বাতাস এবং চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলেছে।

স্থানটির বৈচিত্র্য বাড়িয়ে তুলেছে জোয়ার ভাটা আর ঢেউ। এ চরের লাগোয়া আরেকটি মুগ্ধকর স্থান হচ্ছে শুভসন্ধ্যা সৈকত। যা পর্যটকদের কাছে একটি বাড়তি আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট টেংরাগিড়ির অংশ হওয়ায় সাগর পাড়ে সবুজের সমারোহের সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণীর অবাধ বিচরণ এখানে চোখে পড়ে। প্রচলিত সমুদ্র সৈকতের তুলনায় এখানে দর্শনার্থীদের ভিড় কম থাকায় নিরিবিলি সময় কাটানো যায়। ফলে পর্যটকদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে নিদ্রা সৈকতটি।

যেভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সড়ক এবং নৌপথে বরগুনার তালতলী যাওয়া যায়। ঢাকার গাবতলী ও সায়দাবাদ থেকে সকালে ও সন্ধ্যায় বাস চলাচল করে। ঢাকার সদরঘাট থেকে আমতলির লঞ্চ বিকাল ৬টায় ছেড়ে যায়। এসব লঞ্চে ডেকের ভাড়া ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা। তালতলী উপজেলা শহর থেকে মোটরসাইকেলে সোনাকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত নিদ্রা সৈকতে যাওয়া যাবে।

তালতলী শহরের আবাসিক হোটেল ও জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে রাত কাটানো যাবে। এ ছাড়া তাবু ক্যাম্পিং করার জন্য জায়গাটি বেশ ভালো। কারণটা শিরোনামেই বলে দেওয়া আছে। এখানে প্রকৃতি কখনও ঘুমায় না।

কিউএনবি/বিপুল/২৫.০৬.২০২২/ রাত ৯.১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit