বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নতুন এআই মডেল উন্মুক্ত করছে ওপেনএআই এইচএসসির চতুর্থদিনে বহিষ্কার ৯৫ পরীক্ষার্থী, অনুপস্থিত ২৩ হাজার ফাঁসি কার্যকরের ৭১ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমা ঘোষণা! নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন বোচাগঞ্জ দিনাজপুর সড়কে আরসিসি ঢালাই নির্মান কাজ শেষ না হতেই ফাটল, ভেঙ্গে যাচ্ছে ঢালাই ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে ‘টক্সিক’-এর প্রথম গানেই বিতর্ক আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মিশরের, কী বলছে ইএফএ? পাঁচ দিক বিবেচনায় রাজধানী ঢাকা বসবাসের অযোগ্য অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ, তাদের সঙ্গে আলোচনা মানে সময়ের অপচয়: ট্রাম্প

মনিরামপুর ৪ সদস্যের আ’লীগের ত্রিবার্ষিক কমিটি চলছে ৮ বছর ধরে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২
  • ২১৪ Time View

স্টাফ রিপোর্টার,মনিরামপুর(যশোর) : শুধুমাত্র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসানকে সভাপতি এবং গোলাম মোস্তফাকে সাধারন সম্পাদক করে ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর যশোরের মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলের প্রায় এক বছর পর ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার। প্রয়াত গোলাম মোস্তফার ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক ফারুক হোসেনকে সাধারন সম্পাদক, সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আমজাদ হোসেন লাভলুকে সিনিয়র সহসভাপতি এবং অপর সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদকে এক নম্বর সদস্য করে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনী ফোরাম থেকে ২০১৮ সালের ১০ মার্চ ঢাকা থেকে উপজেলা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।সেই থেকে অধ্যাবধি উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে রয়েছেন ওই চারজন।

গঠন করা হয়নি কোন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন অথবা উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি। এমনকি চার সদস্যের এ কমিটির অনৈক্য ও সমন্বয়হীনতাকে কেন্দ্র করে দলের ভেতর প্রকট আকার ধারন করেছে লবিং-গ্রুপিং। এমনকি কমিটি গঠনের পর থেকে বিভেদ বেড়ে যাওয়ায় এ চার নেতাকে একসাথে কোথাও বসতেও দেখা যায়না। দলিয় কার্যালয় থাকলেও কমিটির এ চার নেতার মধ্যে অধিকাংশরা ব্যক্তিগত অফিসে অনুসারীদের নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছেন।ফলে দলটির কার্যক্রমে নেমে এসেছে চরম স্থবিরতা। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে পাওয়া গেছে এসব চালচিত্র।দলিয় সূত্রে জানাযায়, ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার। ফলে সাধারন সম্পাদক পদটি ভাগ্যে জুটাতে শুরু হয় ব্যাপক লবিং গ্রুপিং।

এক পর্যায়ে প্রয়াত গোলাম মোস্তফার ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক ফারুক হোসেনকে সাধারন সম্পাদক, সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আমজাদ হোসেন লাভলুকে সিনিয়র সহসভাপতি এবং অপর সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদকে এক নম্বর সদস্য করে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনী ফোরাম থেকে ২০১৮ সালের ১০ মার্চ ঢাকা থেকে উপজেলা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। সেই থেকে অধ্যাবধি উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে রয়েছেন ওই চারজন। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে চার সদস্যের এ কমিটির মতানৈক্য ও সমন্বয়হীনতাকে কেন্দ্র করে দলের ভেতর প্রকট আকার ধারন করেছে লবিং-গ্রুপিং। বিশেষ করে গতবছর ১৫ আগষ্ট শোক দিবস পালন করাকে কেন্দ্র করে লবিং-গ্রুপিং প্রকাশ্যে আসে। এরই ফলশ্রুতিতে দলিয় কার্যালয় থাকলেও সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু গরুহাটের পাশে একটি ব্যক্তিগত অফিস নিয়ে তার অনুসারীদের নিয়ে কার্যক্রম করে থাকেন। সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন দলের পুরাতন কার্যালয়ে আওয়ামী মটরশ্রমিক লীগের ব্যানারে নিজস্ব কর্মী সমর্থকদের নিয়ে অনুরূপ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।অবশ্য সভাপতি পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান মাঝেমধ্যে দলিয় কার্যালয় ব্যবহার করে থাকেন। অপর সদস্য আবুল কালাম আজাদ নিজ দোকানেই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ফলে তৃনমুল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আরো দুরুত্বের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে কথা হয় মনিরামপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেনের সাথে। তিনি অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, চার সদস্যের উপজেলা কমিটির লবিং গ্রুপিংয়ের কারনে দলে অনেক বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক গাউসুল মোস্তাক বলেন,উপজেলা কমিটির ব্যর্থতার কারনে সাংগঠনিকভাবে দলের ভেতর স্থবিরতার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাশেম আলী বলেন, উপজেলা কমিটির ব্যর্থতা, অযোগ্যতা, মতানৈক্য ও সমন্বয়হীনতার কারনে তৃনমুলে নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেক বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু এবং সিনিয়র সদস্য আবুল কালাম আজাদ উপজেলা কমিটির বর্তমান সাংগঠনিক কোন কার্যক্রম নেই উল্লেখ করে বলেন, দলের ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন সম্মেলনের জন্য সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক কোন পদক্ষেন গ্রহন করেননি।

তবে সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন বলেন, ইতিপূর্বে রোহিতা ও মনোহরপুর ইউনিয়নে কয়েকটি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে। কিন্তু করোনার প্রাদূর্ভাবে নতুন করে আর কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। সভাপতি পৌর মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, ইতিপূর্বে সর্বসম্মতিক্রমে উপজেলা আওয়ামী লীগের পূর্নাঙ্গ কমিটির তালিকা করে অনুমোদনের জন্য জেলা কমিটির কাছে জমা দেওয়া হলেও অধ্যাবধি তা অনুমোদন করা হয়নি। যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, অচিরেই পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিউএনবি/অনিমা/২০.০৫.২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ৮:২৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit