জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি : টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সদর ইউনিয়নের ধনিরামপাড়ায় সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দী হয়ে পড়া অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বন্যাকবলিত ধনিরামপাড়া এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি পানিবন্দী পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা ও শুকনো খাবার বিতরণ করেন।
এসমঢ মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.ইশতিয়াক আহম্মেদ, মাটিরাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো.জিয়াউর রহমান জিয়া, মাটিরাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নাল,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ললিত বিকাশ ত্রিপুরা, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো.জয়নাল আবেদীন সরকার, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সুনি ত্রিপুরা সহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবাররা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, “প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের মুহূর্তে আপনারা নিজেদের কোনোভাবেই অসহায় বা একা ভাববেন না। মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন প্রতিটি সংকটে সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে। আপনাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র, পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী ও জরুরি চিকিৎসা সেবাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।
বিপদের এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবারও যেন সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।”তিনি আরও বলেন, “সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাবো—আপনারা সবাই যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসুন। এদিকে আকস্মিক এই বিপদের দিনে ঘরের দোরগোড়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পাশে পেয়ে এবং তাৎক্ষণিক খাদ্য ও মানবিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, “হঠাৎ বন্যায় আমরা খুব অসহায় হয়ে পড়েছিলাম।
এমন কঠিন সময়ে ইউএনও স্যার নিজে এসে আমাদের খোঁজ নিয়েছেন এবং খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। প্রশাসনের এই আন্তরিকতা ও পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ আমাদের নতুন করে বাঁচার সাহস জুগিয়েছে। আমরা মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
কিউএনবি/আয়শা/০৮ জুলাই ২০২৬,/রাত ৮:২২