শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাহুলের আচরণে অসন্তোষ, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিস সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় কি ব্যায়াম বন্ধ করতে হয়? ডাল খাওয়ার সঠিক নিয়ম, যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন হাড় মজবুত করতে সাহায্য করতে পারে লবঙ্গ, গবেষণায় মিলেছে সম্ভাব্য উপকারিতা একসঙ্গে পাঁচ সরকারি চাকরি করে বিপাকে ব্রিটিশ নাগরিক প্রতিমা বিসর্জনে দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুত কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল মুসলিমবিরোধী স্লোগান, স্পেনকে শাস্তি দিল ফিফা দুর্গাপূজায় দেশবাসীকে জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা, সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান দুর্গোৎসবে হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত আমির শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল

এক গুলিতেই শেষ হয়ে গেল ২০ বছরের প্রেম

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০২২
  • ১০৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০ বছর আগে ইউক্রেনের বুচা শহরের একটি হাসপাতালে তাদের দেখা হয়েছিল। ওই হাসপাতালে কাজ করতেন ইরিনা আব্রামোভা। হাসপাতালে ছাদ সারাতে এসেছিলেন তরুণ এক যুবক। নাম ওলেহ্। কাজের ফাঁকে পেশীবহুল, সুদর্শন ওই যুবককে এক ঝলক দেখেই প্রেমে পড়ে যান ইরিনা।

তিনিই প্রথম এগিয়ে গিয়ে ওলেহ্‌র সঙ্গে কথা বলেন। তার পর নিয়মিত যোগাযোগ, দেখা-সাক্ষাৎ। প্রেম গভীর হতে এক সঙ্গে বুচায় থাকতেও শুরু করেন তারা। বিয়েও করেন। ইরিনা ওলেহ্কে ডাকতেন ‘সানশাইন’ (রৌদ্রকরোজ্জ্বল) বলে আর ওলেহ্ তার নাম দিয়েছিলেন ‘কিটি’। কিন্তু সেই কুড়ি বছরের প্রেম সেই শেষ হয়ে গেল একটি গুলিতে।

রাশিয়ান সৈন্যদের গুলিতে মারা গিয়েছেন ওলেহ্। যে দিন তাদের বাড়ি হামলা চালায় রুশ সেনা, সেই দিনটির কথা ভাবলেই বুক কেঁপে ওঠে ইরিনার। এখনও বিশ্বাস করে উঠতে পারেন না কিছুই।

৫ মার্চ সকালে রুশ সেনারা তাদের বাড়ির জানলা দিয়ে একটি গ্রেনেড ছোড়ে। বাডি়তে আগুন ধরে যায়। ওলেহ্‌র মাথায় বন্দুক ধরে তাকে বাইরে নিয়ে যায়। তাকে বাঁচাতে ছুটে বের হন ইরিনা। কিন্তু পর মূহূর্তেই দেখেন মাটিতে মুখে থুবড়ে পড়ে রয়েছেন ওলেহ্। কান থেকে বেরিয়ে আসছে রক্ত।

ইরিনার ঠাঁই হয়েছে বোমা নিরোধক আশ্রয়স্থলে। তবু মাঝে মাঝে চলে আসেন ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া বাড়িকে দেখতে। দীর্ঘ ক্ষণ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন বাড়িটির দিকে। ওলেহ্-র সঙ্গে তার সেই প্রেমের দিনগুলির স্মৃতি মনের মধ্যে তরঙ্গ তোলে।

সে দিন এক রাশিয়ান কম্যান্ডার ইরিনার বুকে বন্দুক তাক করেছিলেন। এক বার নয়। পর পর তিন বার। “গুলি করুন! গুলি করুন!”— চিৎকার করেছিলেন ইরিনা। কিন্তু তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায় সেনারা।

ইরিনা অনুশোচনা, কেন সে দিন ট্রিগারটা টানলেন না ওই সেনা। ঘটনার পর বার কয়েক আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু পরে সরে এসেছেন সেই ভাবনা থেকে। কারণ তার মতে, আত্মহত্যা পাপ। পাপ করলে তিনি স্বর্গে যেতে পারবেন না। তা হলে তো তার স্বামীর দেখা হবে না!

এখন ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে চিরমিলনের আশায় দিন গুনছেন ইরিনা। ‍সূত্র: আনন্দবাজার

কিউএনবি/অনিমা/০৩ মে ২০২২খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:১৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit