বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহার নিয়ে যা জানালেন কাজাখস্তান প্রেসিডেন্ট

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৭০ Time View

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে কাজাখস্তানে সম্প্রতি বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দমাতে দেশটির প্রেসিডেন্টের আহ্বানে রাশিয়া আড়াই হাজার সেনা পাঠায়। কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাশিম-জোমার্ট তোকায়েভ জানিয়েছেন, আগামী দুদিনের মধ্যেই কাজাখস্তানে মোতায়েন রুশ নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সেনারা চলে যেতে শুরু করবে। সেনা প্রত্যাহারে ১০ দিনের বেশি সময় লাগবে না।

সম্প্রতি কাজাখ সরকার জ্বালানির মূল্য দ্বিগুণ করলে দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপরই রাশিয়ার নেতৃত্বে প্রায় আড়াই হাজার সেনা কাজাখস্তানে পাঠানো হয়। সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রভুক্ত পাঁচ দেশ কাজাখস্তান, আর্মেনিয়া, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং রাশিয়াকে নিয়ে একটি সামরিক জোট রয়েছে। এই জোটের নাম কালেকটিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সিএসটিও। জোটের সদস্য হওয়ায় সাময়িকভাবে কাজাখস্তানে জোট সেনা মোতায়েন করা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে সরকার ও পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট তোকায়েভ বলেছেন, সিএসটিও শান্তিরক্ষী বাহিনীর মূল মিশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দুই দিনের মধ্যে সিএসটিও শান্তিরক্ষী বাহিনীর একটি কন্টিনজেন্টের প্রত্যাহার শুরু হবে। সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শেষ হতে ১০ দিনের বেশি সময় লাগবে না। গত সপ্তাহে ওই বিক্ষোভ শুরুর পর সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।

এদিকে গার্ডিয়ানের এক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিক্ষোভ শুধু জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে নয়। কাজাখস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের তিন দশকের শাসন এবং তার শাসনামলে অল্প কিছু মানুষ যে সুবিধা পেয়েছেন, এর বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ এ বিক্ষোভ। ইংল্যান্ডের এক্সেটার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও  লেখক জন হেথারশ বলেন, কাজাখস্তানে সরকারঘনিষ্ঠরা যুক্তরাজ্যে সম্পদ কিনেছেন, তাদের অধিকাংশই নুরসুলতান নাজারবায়েভের পরিবারের সদস্য কিংবা শাসকগোষ্ঠীর সদস্য।

২০১৯ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতা ছেড়েছেন নুরসুলতান নাজারবায়েভ। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়লেও ক্ষমতা ছাড়েননি। কারণ, তিনি সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। এই বিক্ষোভ শুরুর পর তাকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এর পর থেকে তিনি কোথায় রয়েছেন, তা জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি দেশ ত্যাগ করেছেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:৪১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit