বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এআই দিয়ে প্রয়াত অভিনেতার মুখে সংলাপ বসালেন পরিচালক বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন ভারতে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেবে ব্যাংক ইথিওপিয়াকে ১২ যুদ্ধবিমান ও চার এস-৪০০ দিচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে রোগীর মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা এলপিজি বিক্রির কমিশন দুই থেকে তিনগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব সারেনি বিমানের ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হচ্ছে গঙ্গা চুক্তি, ভাগ্য বদলাবে কি নবায়ন চুক্তিতে? পর্যটনে এআই ও টেকসই গন্তব্যের বার্তা নিয়ে ঢাকায় বিটিটিএফ শুরু

সন্তানের সঙ্গে কমাতে চান দূরত্ব? কী করবেন?

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৬ Time View

 

লাইফ স্টাইল ডেস্ক :  বর্তমানে কাজের চাপের কারণে বেশির ভাগ সময়ই বাবা-মায়ের সঙ্গ পায় না শিশু-কিশোররা। আর এই ঘাটতি পূরণের জন্য কেউ আবার নিজের ছেলেমেয়েকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দিয়ে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ফলে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের যে দূরত্ব তৈরি হয় তা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়ে ওঠে ফাটলের মতো।

এ বিষয়ে অভিভাবকদের নজর দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে যখন শিশুটি তার কৈশোরে থাকে, তখন মা-বাবার সঙ্গে এই দূরত্ব তার মধ্যে তৈরি করতে পারে নানা বদভ্যাস। ফলে আগে থেকেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। শুধু প্রশ্রয় বা উপহার এই সমস্যার সমাধান নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে বাবা-মা যখন বাচ্চাদের শাসন করেন, তখন এটি তাদের আত্ম-নিয়ন্ত্রণ শিখতে সাহায্য করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা যা তারা নিজের জীবনের পরবর্তী ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে।

১। দিনে অন্তত একবেলা একসঙ্গে খাবার খান। একটি পরিবার হিসাবে একসঙ্গে খাওয়া আপনার সন্তানের অনেকটা কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে। এই সময় পরিবারের প্রত্যেককে তাদের ফোন বা অন্যান্য গ্যাজেট দূরে রাখতে এবং একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করতে উৎসাহিত করুন। খাওয়ার সময় বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্যের গুরুত্ব শেখানোর সুযোগ পাওয়া যায়। একসঙ্গে কাটানো এই সময় কিন্তু তাদের সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে।

২। মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে শরীরচর্চার জন্য নাচ-গানের চেষ্টা করুন। এটি আবার খেলারও সবচেয়ে সহজ কিন্তু সবচেয়ে আকর্ষণীয় একটি উপায়। আপনি যদি আপনার সন্তানের সঙ্গে কী খেলবেন তা স্থির করতে সমস্যায় পড়েন, তা হলে এমন কিছু গান বা বাজনা চালিয়ে দিন যা আপনার সন্তানও উপভোগ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই প্রক্রিয়া থেরাপির মতো কাজ করে। এবং সন্তানকে মানসিকভাবে আপনার কাছাকাছি এনে দিতে ভীষণ ভাবে সহায়ক।

৩। সব সময় প্রশ্রয় নয়, কড়া নিয়মকানুনও প্রয়োজন। একটা বয়সের পর ভাল-খারাপ সম্পর্কে ধারণা তৈরি শুরু করুন আপনার শিশুর। কোন কাজ করা উচিত বা উচিত নয় এই নিয়ে তার মতামত স্পষ্টভাবে গড়ে উঠতে সহায়ক হন। সামাজিক দায়দায়িত্ব সম্পর্কেও কিন্তু তাকে সচেতন করে তোলার দায়িত্ব আপনারই। এই প্রক্রিয়া বিবর্তনশীল এবং এর মাধ্যমে বন্ধু হিসেবেও আপনি আপনার সন্তানের মনের কাছাকাছি যেতে পারবেন।

৪। ধৈর্য ধরে আপনার সন্তানের কথা শুনুন। ইদানীং কাজের চাপের ফলে এমন অনেক কথাই আপনার সঙ্গে বাড়ির ছোট্ট সদস্য হয়তো আর ভাগ করে না। কিন্তু সেগুলি আপনার জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। নিজের কথা বলতে দিন ওকে। শোনার সঙ্গেই সংযোগ শুরু হয়। আপনার সন্তানের অনুভূতি বুঝে তার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা করুন। এতে আপনাদের নৈকট্য বাড়ার পাশাপাশি সে আপনার উপর নির্ভর করতে শুরু করবে।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইনৱ

কিউএনবি/অনিমা/৩রা জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ৯:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit