মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিদেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার হবে। তবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত আইনি সহায়তা, দোভাষীর সুবিধা এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকা অত্যন্ত জরুরি।
সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান রেখেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সংশ্লিষ্ট দুই বাংলাদেশি নাগরিকের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ দূতাবাস কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। তাঁদের জীবন রক্ষায় সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা ও জবাবদিহি দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে শ্রমিক নেতারা বলেন, প্রবাসী শ্রমিকেরা তাঁদের শ্রম ও রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। অথচ বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক বিপদে পড়লে তাঁর নিরাপত্তা, আইনি সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রবাসীদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তাঁরা।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির সভাপতি ফরিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের ঢাকা জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, বাংলাদেশ প্রগতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরুন নাহার, টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি মনজুর আলীসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।