ডেস্ক নিউজ : দুর্গাপূজা ঘিরে টানা ছুটিতে কক্সবাজারে আসতে শুরু করেছে পর্যটকরা। সকাল থেকে বাস, ট্রেনে ভিড় দেখা গেছে। যদিও কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড় বাড়তে শুরু হয়েছে।
শহরের হোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজগুলোতে চাপ থাকলেও পাটুয়ারটেক সৈকতের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট-কটেজে পর্যটকদের উপস্থিতি কমেছে। বাঁশ ও কাঠের তৈরি এসব স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে অনেক পর্যটক শহরের হোটেল বেছে নিচ্ছেন।
হোটেল মালিকদের আশা টানা ১০ দিনে কক্সবাজারে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে। এ সময়ে পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতে হাজার কোটি টাকার ব্যবসার আশা করছেন তারা।
মেরিন ড্রাইভের ইনানী সৈকত এলাকার রিসোর্টের কর্মীরা নাম প্রকাশ না করে জানান, আগুনের ঘটনায় পর্যটকেরা রিসোর্টে থাকা নিরাপদ মনে করছেন না। অনেকে অগ্রিম বুকিংও বাতিল করেছে।
আগুনে পুড়ে পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় মেরিন ড্রাইভের রিসোর্ট কটেজের ব্যবসায় ধস নেমেছে।
কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, অগ্নিকাণ্ডে পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট-কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ খালি পড়ে আছে। অন্যদিকে শহরের হোটেল-গেস্টহাউসে পর্যটকের চাপ বেড়েছে।
কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ২১ অক্টোবর বিকেলে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন উৎসব। টানা ছুটিতে অন্তত ১০ লাখ পর্যটক আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে সৈকতের দুই কিলোমিটার সৈকতজুড়ে পর্যটকদের ভিড়। কেউ সাগরের পানিতে গোসল করছেন, কেউ বালুচরে ছাতা-চেয়ারে বসে সমুদ্র দেখছেন।
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল শুক্কুর বলেন, টানা ছুটিতে ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হলে হোটেল-রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতে ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ( এডিএম) তাসনীম জাহান বলেন, ছুটিতে সর্বোচ্চসংখ্যক পর্যটক আসতে পারেন। তাদের হয়রানি বন্ধ ও সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছেন।
কিউএনবি/অনিমা/২০ অক্টোবর ২০২৬,/সকাল ১১:২২