বিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার পথিকৃৎদের অন্যতম ও প্রথম চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক এবং বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্রর পরিচালক ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২৬ অক্টোবর। তার স্মরণে ফজলুল হক স্মৃতি কমিটি ২০০৪ সাল থেকে প্রতি বছরই দু’জনকে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন এই পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এ বছর এই পুরস্কার পাচ্ছেন চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় মাহমুদা চৌধুরী ও চলচ্চিত্র পরিচালনায় নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন।
২৬ অক্টোবর ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চ্যানেল আই স্টুডিওতে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হবে। দু’জনের হাতে তুলে দেয়া হবে এ পুরস্কারের অর্থমূল্য, সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট। রবিবার চ্যানেল আই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
১৯৭৮ সালে ‘সাপ্তাহিক বেগম’ পত্রিকায় কাজ করার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতার জগতে পথচলা শুরু করেন মাহমুদা চৌধুরী। এরপর অধুনালুপ্ত বিচিত্রায় প্রায় দেড় দশক কাজ করার পর যোগ দেন দৈনিক দিনকালে। সাংবাদিকতার পাশাপাশি দুটি বইও লিখেছেন মাহমুদা চৌধুরী। বইগুলো হলো-বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ থেকে প্রকাশিত মাহমুদা চৌধুরীর গবেষণাগ্রন্থ ‘জহির রায়হানের চলচ্চিত্র : সমাজ ভাবনা’, ও ‘নারী : অর্ধেক পৃথিবী’।
বহু টিভি ফিকশন ও বিজ্ঞাপন বানিয়ে পরিচিতি পেলেও প্রথম সিনেমা নির্মাণেই নিজের দক্ষতার প্রমাণ রাখেন মেজবাউর রহমান সুমন। তার প্রথম মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘হাওয়া’ বক্স অফিসে তুমুল সফলতা পায়। দেশের বাইরেও হুমড়ি খেয়ে ‘হাওয়া’ দেখে মানুষ। চলতি বছরে মুক্তি পায় তার দ্বিতীয় সিনেমা ‘রইদ’, যথারীতি দর্শকদের ভীষণ প্রশংসা পায় সিনেমাটি। মুক্তির আগে রটারড্যাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতা বিভাগেও লড়াই করে ‘রইদ’। মেজবাউর রহমান সুমন বর্তমানে ‘রইদ’ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে সফর করছে। এরই মধ্যে সদ্য বাংলাদেশ অস্কার কমিটি নিশ্চিত করেছে যে, আসন্ন ৯৯তম অস্কারে ‘আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে সুমনের ‘রইদ’।
কিউএনবি/অনিমা/০৪ অক্টোবর ২০২৬,/রাত ১০:৪৬