উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকেই দক্ষিণ সিরিয়ার একটি ‘নিরাপত্তা বলয়ে’ অবস্থান করছে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৯৭৪ সাল থেকে এটি জাতিসংঘের একটি বাফার জোন ছিল। দুই সপ্তাহ আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পরিদর্শনের কড়া নিন্দা জানিয়ে এটাকে ‘সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন’ বলেছিল দামেস্ক।
মূলত আসাদের পতনের পর থেকেই সিরিয়ায় শত শত হামলা ও অনুপ্রবেশ চালিয়েছে ইসরায়েল। তারা বিস্তৃত নিরস্ত্রীকরণ এলাকা গড়তে এই নিরাপত্তা বলয়ে স্থায়ীভাবে সেনা রাখার ঘোষণাও দিয়েছে।
নেতানিয়াহু এমন সময়ে এই হুমকি দিলেন, যখন কৌশলগত হরমুজ প্রণালি নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে তীব্র অচলাবস্থা চলছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, তার ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে এবং গত এক সপ্তাহে উভয় পক্ষ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।