প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, সহযোগিতা এবং দলবদ্ধভাবে কাজ করার মনোভাব তৈরি করে। এই প্রতিযোগিতায় যারা অংশগ্রহণ করেছ, তারা প্রত্যেকেই বিজয়ী। কারণ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের দক্ষতা ও সামর্থ্য প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছ। যারা চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হয়েছে, তাদের আন্তরিক অভিনন্দন।
এ সময় নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধির পাশাপাশি খেলাধুলাতেও নোবিপ্রবিকে একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
নোবিপ্রবি শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের উপ-পরিচালক সঞ্জীব কুমার দে ও মাহমুদুর রহমান। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ফাইনালে মুখোমুখি হয় মাইক্রোবায়োলজি এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। ম্যাচে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ টাইব্রেকারে জয়লাভ করে। পরে নোবিপ্রবি আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার বিজয়ী দল ও আন্তঃবিভাগ T-10 ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলকেও ট্রফি প্রদান করা হয়। এ সময় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারাম, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল ও ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।