আন্তর্জাতিকডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছে ইরানের তৈরি এক শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র। এর নাম ‘খেবার শেকান’, ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘ক্যাসেল ব্রেকার’ বা দুর্গ ধ্বংসকারী।
২০২২ সালে প্রথম জনসম্মুখে আনা খেবার শেকান একটি মাঝারি পাল্লার আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি প্রায় ১,৪৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে এবং এটি ৪৪৯ থেকে ৫৯০ কেজি ওজনের গোলা বহন করতে সক্ষম।
এই ক্ষেপণাস্ত্রটির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর শক্ত জ্বালানি ব্যবস্থা। সাধারণ তরল জ্বালানির ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে যেখানে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগে, এটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই ছুড়ে মারা যায়। ফলে শত্রুপক্ষ আগে থেকে এটি টের পাওয়া বা ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
চলতি সপ্তাহে জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ইরানের কাছে খেবার শেকান ছাড়াও শাহাব-৩, সোমার ও এমাদের মতো আরও বিভিন্ন দূরপাল্লার শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এগুলোর সাহায্যে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো স্থানে বা ইসরাইলের ভেতরে সহজেই হামলা চালাতে পারে।
বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় সাধারণ বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার পর ইরানও বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করেছে।
এই যুদ্ধের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্বে। সমুদ্রের যে গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে বিশ্বের সিংহভাগ তেল আনা-নেওয়া করা হয়, সেখানে সংঘাত বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
কিউএনবি/আয়শা/০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,/রাত ১০:১৫