বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফাইনাল ম্যাচ শেষে ইয়ামালকে যা বলেছেন মেসি নওগাঁর পত্নীতলা পুলিশের অভিযানে মাদক সহ একজন আটক  সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার রাঙামাটিতে ৩ মাস কিস্তি বন্ধের নির্দেশ, তবু পাহাড়ে আদায়:বন্যার্তদের প্রশ্ন! সরকারি নির্দেশনা কি মাঠেই আটকে? দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন পরিবার পুনর্মিলনে ফেনীতে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ নোয়াখালীতে দুই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩ দিনাজপুরে কর্মরত ৭ জন পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির পাতিগ্রাম ও পাঁচঘরিয়া এলাকায় নতুন করে বাড়ীঘরে ফাটল ও তলিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি॥ ফুলবাড়ীতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ফুলবাড়ী এর শুভ উদ্বোধন॥ কুড়িগ্রামে পানি কমতেই তীব্র নদীভাঙন, হুমকিতে ৪৪৮ কোটি টাকার বাঁধ

কুড়িগ্রামে পানি কমতেই তীব্র নদীভাঙন, হুমকিতে ৪৪৮ কোটি টাকার বাঁধ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ২২ Time View
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের নদ-নদীতে পানি কমতে শুরু করলেও কমেনি নদীভাঙনের তীব্রতা। বরং পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার ৪২টি ভাঙনকবলিত পয়েন্টে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৩টার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ধরলা নদীর কুড়িগ্রাম পয়েন্টে পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি স্থির থেকে বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।

এদিকে, জেলার চিলমারী উপজেলার ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে গত ১৫ দিনে দুই দফায় ধস নেমেছে। এতে ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাঁধটি নতুন করে হুমকির মুখে পড়েছে। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাত জেগে পাহারা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র স্রোত ও ভাঙনে বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, “জেলার ৪২টি ভাঙন পয়েন্টে আমাদের নজরদারি ও জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ চলমান রয়েছে। চিলমারীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ঝুঁকিপূর্ণ অংশেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন কাজ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে বাঁধটি রক্ষা করা যায়।”পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত স্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভাঙনকবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

কিউএনবি/আয়শা/২২ জুলাই ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit