ইউনিসেফ জানিয়েছে, পরপর দুটি ভূমিকম্পে ঘরবাড়ি, স্কুল, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি আঘাত, রোগব্যাধি, বাস্তুচ্যুতি এবং মানসিক আঘাতের (ট্রমা) মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে।
এরই মধ্যে সংস্থাটির পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা ফ্লাইট পাঠিয়েছে। এর মধ্যে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, পানি ও স্যানিটেশন সামগ্রী, তাঁবু এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে সংস্থাটি জাতীয় কর্তৃপক্ষ ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
ইউনিসেফ ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সহায়তার আহ্বান জানাচ্ছে এবং শিশু সুরক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও নিরাপদ পানি প্রাপ্তির বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং পরিবারগুলোকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে সময়মতো মানবিক সহায়তা প্রদান অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জরুরি চাহিদা মেটাতে তারা অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন।