স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে আসা সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাওকে মাঠের লড়াইয়ে মোটেও হালকাভাবে নিতে রাজি নয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। প্রতিপক্ষকে ছোট ভাবতে সতীর্থদের স্পষ্ট বারণ করেছেন জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ। কাগজে-কলমে কিংবা ফুটবল ঐতিহ্যে জার্মানির চেয়ে বহুগুণ পিছিয়ে থাকলেও কুরাসাওকে যথেষ্ট সম্মান দিচ্ছে ডাই মানশাফটরা। তবে প্রতিপক্ষকে সমীহ করলেও নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যের ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করার ব্যাপারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী এই তারকা ডিফেন্ডার।
বিগত দুই বিশ্বকাপে জার্মানির পারফরম্যান্স ছিল একেবারেই হতাশাজনক। ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ; টানা দুই আসরেই গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে পারেনি তারা। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে সর্বশেষ ট্রফি ছোঁয়া জার্মানির সামনে এবার সুবর্ণ সুযোগ সেই হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের। আগামী রবিবার হিউস্টনে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে তাদের শিরোপা ফিরে পাওয়ার মিশন।
ভৌগোলিক ও জনসংখ্যার দিক থেকে কুরাসাও অত্যন্ত ছোট একটি অঞ্চল। নেদারল্যান্ডসের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের আয়তন মাত্র ৪৪৩ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা দেড় লাখের কিছু বেশি। তবে ডাচ কোচ ডিক আটফোকাটের অধীনে দলটির ফুটবলাররা নেদারল্যান্ডসেই কঠোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে। জোনাথন টাহ জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের এই শক্তির জায়গাগুলো নিয়ে ইতোমধ্যে তাদের দলীয় সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও তারা কুরাসাওকে পূর্ণ গুরুত্ব দিচ্ছেন।
বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপে জার্মানির বাকি দুই প্রতিপক্ষ কোত দি ভোয়া এবং একুয়েডর। দলটির আরেক ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক জানিয়েছেন, অতীত ব্যর্থতার কোনো চাপ এবার তাদের ওপর নেই। দলের তরুণ ও অভিজ্ঞদের দারুণ মিশ্রণ এবং ফুটবলারদের তুঙ্গস্পর্শী ফর্ম জার্মানিকে মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে রাখছে। কোনো রকম বাড়তি চাপ না নিয়ে, নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলে রোববার মাঠে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নিতে মুখিয়ে আছে পুরো জার্মান শিবির।
কিউএনবি/অনিমা/১২.০৬.২০২৬/সকাল ৯.৫৯