ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে তেহরানের সঙ্গে কিছু বিষয়ে ভালো আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়াতে পারলে এবং ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র বা সেতুগুলোতে সরাসরি হামলা চালানো থেকে বিরত থাকাই তার বর্তমান অগ্রাধিকার।
ইরানের নাতানজ পরমাণু কমপ্লেক্সের কাছাকাছি পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘পিকেক্স মাউন্টেন’ একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনা, যা পরমাণু কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। ট্রাম্প এর আগে মন্তব্য করেছিলেন যে এই স্থাপনার সামনে বা এর সুড়ঙ্গের মুখে বড় ধরনের সামরিক আঘাত হানা হতে পারে এবং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত।
তবে বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মাঝে কূটনৈতিক আলোচনা এবং সামরিক চাপের সমান্তরাল ধারা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তেহরান যদি অর্থপূর্ণ সংলাপে না আসে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বজায় রাখে, তবে ওয়াশিংটন তাদের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পিছপা হবে না।