আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ক্যাপিটল হিলে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের শাহেদ ড্রোন মার্কিন সেনাবাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা হয়তো এই ড্রোনের সবগুলোই প্রতিহত করতে পারবে না।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, এই ড্রোনগুলো খুব নিচু উচ্চতায় ধীরগতিতে উড়ে, যার ফলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এগুলো সহজেই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চোখ এড়িয়ে যেতে পারে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা উপসাগরীয় অংশীদারদের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার ইন্টারসেপ্টরের মজুদ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইরানে যুদ্ধ পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য নিয়ে বলেছেন, মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, নৌবাহিনী, পারমাণবিক অস্ত্র প্রোগ্রাম এবং তাদের মিত্র সশস্ত্র বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহের সক্ষমতা ধ্বংস করা। ইরানির শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তন বা সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনকে লক্ষ্য নয়।
আইনপ্রণেতাদের প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, বর্তমান অভিযান কয়েক সপ্তাহ বা মাস পর্যন্ত চলতে পারে, তবে সুনির্দিষ্ট শেষের তারিখ দেওয়া হয়নি। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত এই সামরিক পদক্ষেপকে কিছু আইনপ্রণেতা ‘যুদ্ধ’, কিছু ‘অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ব্রিফিংয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদ সীমিত, তাই বৃহৎ মজুদ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। ইরানির ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং মধ্য ও স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের বিপুল সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
সূত্র: সিএনন
কিউএনবি/অনিমা/০৫ মার্চ ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:০৩