আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনয়নের জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, পাকিস্তানের ওয়াশিংটনের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন এবং ট্রাম্পের বিরোধ থেকে দূরে থাকার প্রচেষ্টা মূলত বাস্তবসম্মত ও স্বল্পকালীন কূটনৈতিক প্রয়াস।
বিশেষজ্ঞরা বলেন—দেশের বর্তমান কূটনৈতিক নীতি, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বাস্তববাদী ও প্রয়োজনীয়। সরকার একটি কূটনৈতিক সমতলে চলাচল করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে, তবে চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি এবং মারিয়ম নাওয়াজ এ মনোনয়ন নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেননি। মারিয়ম বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেন, যা সরকারের ভেতরে সীমিত সমর্থন নির্দেশ করে। সিনিয়র বিশ্লেষক মাজহার আব্বাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইসরাইলের প্রতি সমর্থনকে বিবেচনা করলে ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পাকিস্তানের অবস্থানকে ক্ষুণ্ণ করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা কৌশলগতভাবে প্রয়োজনীয়।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানকে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে হবে এবং ইরানের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে হবে। চীন এখনো নির্ভরযোগ্য অংশীদার। আরেক বিশ্লেষক রাসুল বাক্স রাইস মনোনয়নকে ‘ভুল পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন, যা সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রচেষ্টা যৌক্তিক। সামনের দিনগুলোতে আঞ্চলিক কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ হবে।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ মার্চ ২০২৬,/বিকাল ৫:১২