ব্যাটে নেমে কেবল ৯ রান করে আউট হন ওপেনার অ্যারন জর্জ। দ্বিতীয় উইকেটে নামেন অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে। তাকে নিয়েই ক্রিজে ব্যাটিং তাণ্ডব চালান ওপেনার বৈবভ সূর্যবংশী। কেবল ৯০ বলে দুজন মিলে গড়েন ১৪০ রানের জুটি। ৫৩ রানে থামেন মাত্রে। এরপর ভেদেন্ত ক্রিভেদীকে নিয়ে ৩৯ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন সূর্য। তাতে ২৫ ওভারেই ২৫০ রানের সংগ্রহ পেয়ে যায় ভারত।
৫৫ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুত সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন সূর্যবংশী। তার ইনিংস থামে ১৭৫ রানে। ৮০ বলে খেলা তার ইনিংসটি ১৫টি করে চার এবং ছক্কায় সাজানো। সূর্যর তাণ্ডবের আগে যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে কখনও দেড়শ ছোঁয়া রান দেখা যায়নি। যুব বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছিল সূর্যর স্বদেশী উন্মুক্ত চাঁদের দখলে। ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে ১৩০ বলে অপরাজিত ১১১ রান করেছিলেন চাঁদ।
এরপর বেদান্ত ত্রিবেদী ৩২, বিহান মালহোত্রা ৩০, অভিজ্ঞান কুন্ডু ৪০, আরএস অ্যামব্রিশ ১৮, কনিষ্ক চৌহান ৩৭, খিলান প্যাটেল ৩, হেনিল প্যাটেল ৫ ও দিপেশ ০ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে জেমস মিন্টো সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন সেবিস্টেইন মরগান ও অ্যালেক্স গ্রিন। আর একটি উইকেট নেন ম্যানি লুমসডেন।
৪১২ রানের বিশাল লক্ষ্যে নেমে দ্রুত রান তাড়ায় ব্যস্ত ছিল ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। তাদের রানের গতি ছিল ঠিকই, কিন্তু উইকেট পতনের ধারা থামাতে পারেনি ইংল্যান্ড। তাতেই ক্রমান্বয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে থাকে ইংলিশরা। এক পর্যায়ে অসহায় আত্মসমর্থন করে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ক্যালেব ফেলকোনের। ৭০ বলে তিনি করেন ১২০ রান। ফিফটির দেখা পেয়েছেন ওপেনার বেন ডাওকিনস। আউট হওয়ার আগে করেন ৫৬ বলে ৬৬ রান। এছাড়া বেন মেয়ার্স ৪৫, থমাস রে ৩১ ও জেমস মিন্টো ২৮ রান করেন। বাকি ব্যাটাররা বিশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।
ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন আরএস অ্যামব্রিশ। দিপেশ ও চৌহান নেন দুটি করে উইকেট।