শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন

এপস্টেইন ঝড়ে ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন ব্রিটেনের কিয়ার স্টারমার

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিপীড়নের শিকার হওয়া নারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েও দলের ভেতরে সমালোচনার ঝড় থামাতে পারছেন না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এদিকে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এপস্টেইন কাণ্ডে নাম আসায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রথী মহারথীদের পদমর্যাদা ঝুঁকিতে পড়লেও বিতর্ক এড়াতে সক্ষম হয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্মতিতেই যৌন নিপীড়ক এপস্টেইন সম্পর্কিত লাখ লাখ নথি, ভিডিও, ছবি ও ইমেইল প্রকাশ করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। সবশেষ গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ৩০ লাখের বেশি নথির মধ্যে ছিল ট্রাম্পের নাম এসেছে ৬ হাজারেরও বেশিবার।
 
এতে এপস্টেইনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও যোগাযোগের বিষয়টি উঠে এসেছে। এ নিয়ে কিছুটা সমালোচনার মুখে পড়লেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ নেই কোনো। উল্লেখযোগ্য কোনো প্রমাণও হাতে আসেনি।
 
এপস্টেইনের কাণ্ডে উঠে এসেছে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য মন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, সাবেক কৌশলী স্টিভ ব্যানন এবং একসময়ের শ্রম মন্ত্রী আলেকজান্ডার অ্যাকোস্টার নাম। এছাড়াও সাবেক আইনপ্রণেতা, মেয়র, গভর্নর মিলিয়ে তালিকাটা বেশ লম্বা। কিন্তু এর জেরে আসলে কতখানি বিচলিত ট্রাম্প?
 
সংবাদ সম্মেলনে এপস্টেইন কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন করায় সিএনএনের সাংবাদিককে সবার সামনে হেনস্থা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন গণমাধ্যমের বিশ্লেষণ বলছে, এপস্টেইন কাণ্ডে নিজ দলের আইন-প্রণেতাদের জড়িত থাকার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে একের পর ইস্যু সামনে আনছেন তিনি। 
 
নাগরিকদের ব্যতিব্যস্ত রাখতে কৌশলে ব্যবহার করা হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, ওয়াশিংটন মস্কো পরমাণু চুক্তি বা আইসিই এজেন্টদের অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও মার্কিন নাগরিক হত্যার মতো ইস্যু। সিএনএন দাবি করছে, এপস্টেইন কাণ্ডের জেরে ওভাল অফিসের চেয়ে কয়েকগুণ বিপজ্জনক অবস্থায় টেন ডাউনিং স্ট্রিট। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকার পরও পিটার ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে দূত হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় খোদ লেবার পার্টির এমপিদের মধ্যে স্টারমারেকে নিয়ে ক্ষোভ ও অনাস্থা তৈরি হয়েছে।
 
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একাধিক ব্রিটিশ সংবাদপত্রের শিরোনামও বলছে, এর জেরে ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, হারাতে পারেন প্রধানমন্ত্রিত্বও। পিটার ম্যান্ডেলসনকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করায় এপস্টেইন কাণ্ডে যৌন নিপীড়নের শিকার নারীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন স্টারমার। দাবি করেছেন, ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টেইনের যোগাযোগ আছে জানলেও ঐ সম্পর্কের অন্ধকার অংশটি তার অজ্ঞাত ছিল।
 
জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার খবর জানাজানি হওয়ার পর গেল বছরই ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সবশেষ প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের বাজার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য এপস্টেইনের কাছে পাচার করেছিলেন ম্যান্ডেলসন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের খবর জানার পরেও ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত বানানোয় স্টারমারের পরিণতি হতে পারে বরিস জনসনের মতো।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ১০:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit