রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা কবে, জানাল ইরান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানালে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পরিচালনা পর্ষদ এ বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে চলতি বছরে পাকিস্তানের প্রাপ্য অর্থের ওপর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর এনডিটিভি। 

পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানায়, ২০২৪–২৭ অর্থবছরে আইসিসি থেকে পিসিবির মোট প্রাপ্য প্রায় ১৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বছরে গড়ে তারা প্রায় ৩৮ মিলিয়ন ডলার করে পায়। এক সূত্র জানিয়েছে, আইসিসি যদি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার কারণে পাকিস্তানকে শাস্তি দেয়, তাহলে এই অর্থের বড় অংশ ঝুঁকিতে পড়বে, যার পরিমাণ পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় ৪০ বিলিয়ন রুপি।

সূত্রটি বলেছে, আইসিসি থেকে পাওয়া এই অর্থ পিসিবির আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে। এর উল্লেখযোগ্য অংশ হারালে পাকিস্তান ক্রিকেটে বড় আর্থিক চাপ তৈরি হবে। জানা গেছে, ২০২৪ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং গত বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে পিসিবি ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অঙ্ক পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করে তারা ৭০ মিলিয়ন ডলারের বাজেট থেকে অতিরিক্ত ৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে। তবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের পেছনে বড় অঙ্কের ব্যয় হওয়ায় গেটমানি ও হসপিটালিটি বক্স বিক্রি থেকে আয় তুলনামূলক কম ছিল।

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যু দুবাইয়ে আয়োজন করা হয় বিসিসিআই, পিসিবি ও আইসিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির আওতায়। ফলে পাকিস্তান নিজেদের মাটিতে কেবল একটি ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পায়। লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডির তিনটি স্টেডিয়াম উন্নয়নে পিসিবি প্রায় ১৮ বিলিয়ন রুপি ব্যয় করেছে। চলমান কাজের কারণে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকেও প্রত্যাশিত আয় ব্যাহত হয়েছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, চলতি বছরের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের অংশীদারি অর্থ এখনো পায়নি পিসিবি। আইসিসি চাইলে এই প্রাপ্য অর্থ থেকেই জরিমানা কেটে নিতে পারে। আইসিসি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে পিসিবি ‘পার্টিসিপেটিং নেশনস এগ্রিমেন্ট’-এ স্বাক্ষর করেছে। বৈধ ফোর্স মেজর কারণ দেখাতে না পারলে আইসিসি ও সম্প্রচার অংশীদারেরা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।

বর্তমান অর্থচক্রে সম্প্রচার স্বত্ব কিনতে ব্রডকাস্টাররা প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। পাকিস্তান–ভারত ম্যাচ থেকে প্রতিটি খেলায় আনুমানিক ২৫০ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি আয় হয়। চারটি আইসিসি ইভেন্ট মিলিয়ে এই দুই দলের চারটি ম্যাচ থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের নিশ্চয়তা থাকে। এসব ম্যাচ না হলে সদস্য বোর্ডগুলোর মধ্যে বণ্টনযোগ্য আয়ও কমে যাবে।

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ১১:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit