বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চট্রগ্রামে দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের সমর্থন ছাড়ার ঘোষণা উলিপুরে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দুর্গাপুরে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত দাপুটে সেঞ্চুরির পরও অভিষেককে যুবরাজের খোঁচা নওগাঁয় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত  নওগাঁর পত্নীতলায় ক্যাশলেস বাংলাদেশ কার্যক্রম নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা নওগাঁয় জামায়াতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ পালিত  দেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ‘ভাঙারি এনামুল’ গ্রেপ্তার ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ॥

‘ভাণ্ডারি মুলা’ নিয়ে ফিরছেন লাখো ভক্ত

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬২ Time View

ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার দরবারের ওরসের প্রধান এখন আকর্ষণ ‘ভাণ্ডারি মুলা’। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লাখ লাখ ভক্তরা বড় সাইজের এই মুলা নিয়ে বাড়ি যান। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ওরস উপলক্ষ্যে মুলা নিয়ে বসছেন বিক্রেতারা। সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) মাইজভাণ্ডারীর ১২০তম ওরস শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার।  

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে তিন দিনব্যাপী এই ওরস। ওরস ঘিরে দরবারের আশেপাশে দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মুলা ও বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে বসেছে লোকজ মেলা। ভক্তরা দরবারে জেয়ারত শেষে বিশেষ সবজি ‘ভাণ্ডারি মুলা’ নিয়ে ফিরে যান। এটাকে বিশেষ নিয়ত করে খাওয়ারও জনশ্রুতি আছে। 
জানা যায়, হালদা নদীর চরে উৎপাদিত এই মুলা স্থানীয় কৃষকেরা ওরসের বিক্রির উদ্দেশে অপেক্ষা করেন। তাই প্রতিবছর ওরসে কৃষকরা এসব ‘ভাণ্ডারি মুলা’ বিক্রি করে লাভের আশায় থাকেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নাজিরহাট ঝংকার মোড় থেকে দরবার পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়কের ধারে মুলার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা, বিক্রিও চলছে। একেকটি মূলা দুই-তিন হাত পর্যন্ত লম্বা এবং ৮ থেকে ১০ কেজি ওজনের। দরবারে মাংস-মুলা তবররুক হিসেবে প্রচলন থাকায় আছে। তাই নিয়ত করে ‘ভাণ্ডারি মুলা’ বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান ভক্তরা।
দরবারে আসা আরাফাত হোসেন বলেন, প্রতি বছর ওরসে এলে মুলা নিয়েই বাড়িতে যাই। এসব মুলা খেতে অনেক সুস্বাদু এবং দামেও ভালো। এক নিয়তে মানত করে এই মুলা রান্না করে খেলে মনের আশা পুরণ হয়। কার মোড়ে মুলা বিক্রেতা আবুল বশর বলেন, সারা বছরই আশায় থাকি ১০ মাঘ ওরসের মেলার জন্য। কারণ মেলায় ভালো দামে বিক্রি হয় বলে মুলায় লাভও পাওয়া যায় দারুণ। এ সময় ক্রেতাও থাকে আশানুরূপ।
জানা গেছে, মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা আসেন। রকমারি খাবার, তৈজসপত্র ও বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন। মেলায় পোশাক, খেলনা, প্রসাধনী সামগ্রীসহ গৃহস্থের প্রয়োজনীয় বাঁশ, বেত, মাটির ও লোহার তৈরি জিনিসপত্র পাওয়া যায়।
মাইজভান্ডার আহমদিয়া মঞ্জিলের তত্ত্বাবধায়ক শিক্ষক মো. শামীমুল হাসান বলেন, হালদা চরের মুলা বিশেষ তবাররুক হিসেবে আশেক-ভক্তরা বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যান। দরবারের মাংস-মুলার তরকারি বিশেষ তবররুক হিসেবেও খান। ফলে কৃষকেরা সারাবছর অপেক্ষায় থাকেন ‘মাঘের মেলা’ কখন আসে। এতে কৃষক যেমন লাভবান হন, তেমনি আশেক-ভক্তরাও কিনে নিয়ে তাদের মনোবাসনা পূরণ করেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/রাত ৯:৩৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit