তোবারক হোসেন খোকন দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : আমাকে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিন, আমি নির্বাচিত হলে, নেত্রকোনা ১ আসন থেকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও ইভটিজিং চিরতরে নির্মুল করবো ইনশাআল্লাহ্। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দুর্গাপুর পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে দুর্গাপুর পৌরশহরের চকলেঙ্গুরা, সাধুপাড়া, কাচারী মোড় ও দশাল গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত নারী-পুরুষ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এ সময় স্থানীয় এক সাধারণ ভোটার বলেন, এলাকার উন্নয়নে যে বরাদ্দ আসে, তার অধিকাংশই চলে যায় নেতাদের পকেটে, আপনি নির্বাচিত হলে, এলাকার উন্নয়নের বিষয়টি কিভাবে দেখবেন আপনি?
এর উত্তরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমার পেট এবং পকেট দুটোই ভরা, কাজেই এলাকার বরাদ্দের জন্য আসা কোন টাকাই আমার প্রয়োজন নাই। আমি সততার সহিত আপনাদের কে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবো। আমি যেমন কোন বরাদ্দ তসরুপ করবো না, ঠিক তেমনই কোন নেতা বা দলীয় কোন কর্মীকে এলাকার জন্য বরাদ্দের কোন টাকাই আত্মসাৎ করতে দিবো না।
চকলেঙ্গুরা এলাকার অপর এক সনাতন ধর্মালম্বী ভোটার বলেন, আপনি নির্বাচিত হলে, নেত্রকোনা ১ আসনের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সনাতন ধর্মালম্বীদের নিরাপত্তা বিষয়টি কিভাবে দেখবেন আপনি ? এর উত্তরে তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা গুরুত্বপুর্ন। আপনাদের ভোটে আমি যদি সংসদে কথা বলার সুযোগ পাই, তাহলে মানুষের মৌলিক চাহিদা নিয়ে বিগত সরকার যে ছিনিমিনি করে গেছে, আমি বা আমরা তা কোনদিনই করবো না এটা আপনাদের সামনে ওয়াদা করে গেলাম। নেত্রকোনা ১ আসনের প্রতিটি জনগন আমার ভাই। হিন্দু, গারো, হাজং যে কোন সম্প্রদায়ের মানুষ কোন না কেনো, নির্বাচন পরবর্তি তাদের উপর কোন হামলা, অন্যায় অত্যাচার করতে দেয়া হবেনা বলে কথা দিয়ে গেলাম।
এ সময় কায়সার কামাল বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা দুই উপজেলাই অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। মাদকের কারণেই ইভটিজিং হয়, কিশোর গ্যাং তৈরি হয় এর মূল উৎস হচ্ছে মাদক। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে।
সে যেই হোক, যত শক্তিশালী পরিবারের সদস্যই হউক বা যত বড় নেতাই হউক, কাউকেই আমি ছাড় দেব না, ইনশাল্লাহ। আমরা দলের পক্ষ থেকে নারীদের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করবো। আপনাদের সহযোগিতায় ভোটের মাধ্যমে যদি এমপি নির্বাচিত হই এবং বিএনপিকে দেশ পরিচালনার সুযোগ দেন, তাহলে নারীদের কল্যাণে, এলাকা ভিত্তিক, নানা ধরনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কিউএনবি/খোরশেদ/২৪ জানুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:০০