স্পোর্টস ডেস্ক : বিসিবি শেষ পর্যন্ত ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশকে ছাড়াই এই বৈশ্বিক আসর বসবে। তবে বাংলাদেশই প্রথম নয়, বিশ্ব ক্রীড়া ইতিহাসে বড় আসর থেকে সরে দাঁড়ানোর অনেক নজির রয়েছে। আজ প্রথম কিস্তিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ‘বর্জন’ নিয়ে এই প্রতিবেদন।
২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও ঘটে একই ধরনের ঘটনা। সেবার যৌথ আয়োজক ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ব্রিটেনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে হারারেতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ইংল্যান্ড। এছাড়া নিরাপত্তা শঙ্কায় কেনিয়ায় খেলতে যায়নি নিউজিল্যান্ড। ওই দুই ম্যাচে ওয়াকওভার পায় জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া।
২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড। জিম্বাবুয়ের রবার্ট মুগাবে সরকারের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক তখন আরও তিক্ত। ফলে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটারদের ইংল্যান্ডের ভিসা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় বিশ্বকাপ অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়ার আলোচনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আইসিসির সঙ্গে সমঝোতায় বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলেও পুরো অংশগ্রহণ ফি পায় জিম্বাবুয়ে। তাদের জায়গায় খেলার সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড। ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশে দল পাঠায়নি অস্ট্রেলিয়া। তাদের জায়গায় খেলেছিল আয়ারল্যান্ড।
বাংলাদেশের আগে বয়কটের সবশেষ নজির ভারতের। সরকারের কাছ থেকে অনুমতি না পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানায় ভারত। আইসিসি বাংলাদেশের দাবি না মানলেও ভারতের ইচ্ছায় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তাদের সব ম্যাচ দুবাইয়ে আয়োজনের ব্যবস্থা করেছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতই শিরোপা জেতে।
কিউএনবি/আয়শা/২৩ জানুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ২:০০