আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এমিরেটলিকস নামে একটি অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের প্রকাশিত গোপন নথি থেকে জানা গেছে যে, গাজায় চলমান সংঘর্ষের সময়ে ইসরায়েলকে সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগরের কাছের সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করার প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এই তথ্যটি মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ক্রেডল থেকে এসেছে।
নথির শুরুতে বলা হয়, ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলকে সহায়তা করার জন্য ইউএই জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের নির্দেশ অনুসরণে লোহিত সাগর অঞ্চলে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিগুলোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইয়েমেনের দক্ষিণ লোহিত সাগরের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ইসরায়েলের সহায়তায় প্রস্তুত করা হয়েছে।
নথিতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলকে শক্তিশালী করার জন্য এবং ফিলিস্তিনে যাদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ইউএইকে সহযোগিতা করতে হবে। এই সহযোগিতা চলবে যতক্ষণ না সন্ত্রাসীরা পরাজিত হয়।
ইউএই ও ইসরায়েলের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্পর্ক স্থাপন হয়। এরপর থেকে, ইসরায়েল ও ইউএই-এর মধ্যে নিরাপত্তা, কূটনীতি ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। ইউএই-র সেনাবাহিনী ইসরায়েলের সহযোগিতায় ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকাতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, এবং বর্তমানে আবুধাবি তেল আবিবের অন্যতম বড় আরব বাণিজ্যিক অংশীদার।
ইউএই-সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান ২০২৪ সালে ইসরায়েলকে ১ কোটি ৭১ লাখ ডলারের অস্ত্র সরবরাহ করেছে, যা গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। ইউএই-এর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিরক্ষা জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি ইসরায়েলের শীর্ষ অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ধারণ করে।
কিউএনবি/মহন/১৪ জানুয়ারি ২০২৬, /বিকাল ৩:৩৩