নিজস্ব প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ৯টি গাছ কেটে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ হলে ব্যাক ডেটে অনুমোদনহীন রেজুলেশন প্রদর্শন করছেন প্রধান শিক্ষক। অবৈধভাবে কর্তিত ৯টি গাছের ৪০ টি টুকরা সোনাহাট বাজারের পূর্ব পাশে নুরু মিয়ার স-মিলে পরে আছে বলে জানান এলাকাবাসী।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে কোন অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ডিসেম্বর/২৫ ইং তারিখে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে জীবিত ৯টি মেহগনি ও ইউক্লেপটাস গাছ কর্তন করে স্থানীয় এক পাইকারের কাছে গাছগুলো গোপনে বিক্রি করে। এ ব্যাপারে অভিযোগের তদন্ত শুরু হলে তার অনুগত কমিটিকে দিয়ে ব্যাক ডেটে রেজুলেশন তৈরি করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির মুঠোফোনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৭/১২/২৫ইং তারিখে উপজেলা বন কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী সরেজমিনে তদন্তে আসেন। তিনি গাছগুলো সোনাহাট বাজারের পূর্ব পাশ্বে নুরু মিয়ার স-মিলে দেখে গননা করে তার উদ্ধর্তন কর্মকর্তাকে জানান।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আলমঙগীর হেসেন জানান, গাছ কেটেছেন তবে লিখিত কিংবা মৌখিক অনুমতি নেননি।
সোনাহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মইনুদ্দিন জানান, প্রধান শিক্ষক আমার শিক্ষক বিধায় সরল বিশ্বাসে রেজুলেশনে স্বাক্ষর দিয়েছি। নিয়ম অনুযায়ী তিনি গাছ গেটেছেন কিনা তা আমার জানা নাই।
এ ব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী জানান, গাছের গুড়ি গুলো স- মিলে রাখা আছে। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। এ ব্যাপারে উপজেলা কমিটি ব্যবস্থা নেবে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার শাহাদৎ হোসেন জানান, গাছ কাটার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে লিখিত কিংবা মৌখিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিউএনবি/আয়শা/১১ জানুয়ারী ২০২৬,/সন্ধ্যা ৬:০০