স্পোর্টস ডেস্ক : জাতীয় দল কিংবা ক্লাব—দুই জার্সিতেই বছরজুড়ে গোলের পর গোল করেছেন। নরওয়ে ও ম্যানচেস্টার সিটিতে সমানতালে গোল উৎসব করে ক্যারিয়ারে পেলেন আরেকটি স্বীকৃতি। টানা ছয়বার নরওয়ের বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়ে ‘হেক্সা’ পূরণ করলেন তারকা এই ফরোয়ার্ড।
প্রতি বছর নরওয়েজিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বছরের সেরা নারী ও পুরুষ ফুটবলারকে স্বর্ণপদক (গোল্ডেন বল) পুরস্কার দিয়ে থাকে। পুরুষদের বিভাগে আগের পাঁচ বছরে সেরার এই স্বীকৃতি পান হালান্ড। আর মেয়েদের বিভাগে বছরের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হওয়া ক্যারোলাইন গ্রাহাম হ্যানসেন গত সাত বছরে ষষ্ঠবার এই পদক পাচ্ছেন।
টানা ষষ্ঠবারের মতো বর্ষসেরা নির্বাচিত হয়ে হালান্ড বললেন, ‘আবার জিততে পেরে দারুণ লাগছে। এটা দারুণ এবং আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’
২০২৫ সাল হল্যান্ডের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গত বছর হালান্ডের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল জাতীয় দলকে বিশ্বকাপে তোলা। সদ্য সমাপ্ত বছরের কথা স্বরণ করে এই ‘গোলমেশিন’ বলেন, ‘এটা খুবই রোমাঞ্চকর একটি বছর ছিল, অনেক কিছু ঘটেছে। বিশ্বকাপের যোগ্যতা পাওয়া অসাধারণ এবং বড় ঘটনা। আমার জন্য এটাই বছরের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। এটা অংশ হওয়া দারুণ এবং অবশেষে সফল হওয়া আরও ভালো লাগছে।’
ইতালিকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কাটে নরওয়ে। ওই ম্যাচে জোড়া গোল করেন হলান্ড। ২০২৫ সালে মাত্র নয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১৭টি গোল করে দলকে বিশ্বকাপে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
দলকে বিশ্বকাপে পৌঁছে দিতে ভূমিকা রাখাই ছিল হল্যান্ডের জন্য বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সিটির ফরোয়ার্ড বলেন, ‘আমরা সান সিরোতে গিয়েছিলাম এবং জানতাম আমরা যোগ্যতা অর্জন করব। তবে ৪-১ গোলে ইতালিকে হারিয়ে সেটা দারুণ স্টাইলিশভাবেই হলো। এটা আমরা কেবল স্বপ্নে ভাবতে পারতাম। তাই এটা অনেক বড় অর্জন, আমরা ভীষণ খুশি। এখন আমরা বিশ্বকাপে যাচ্ছি, এবং আমি অনেক আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি।’
গত বছর প্রিমিয়ার লিগেও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অসাধারণ মৌসুম কাটিয়েছেন হলান্ড। প্রিমিয়ার লিগে ১০০ গোল করার দ্রুততম খেলোয়াড় এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৫০ গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি। চলতি মৌসুমেও লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলান্ড। ২১ ম্যাচে ২০ গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার।
কিউএনবি/অনিমা/১০ জানুয়ারী ২০২৬,/সকাল ৮:৩৬