আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে এক পোস্টে এই ঘোষণা দেন তিনি। যা পুরো বিশ্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাগ্রহণ, চাকরি ও উন্নত জীবনের খোঁজে পাড়ি জমান।
গতকাল ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করেন এক আফগান নাগরিক। তিনি আফগানিস্তানে থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও সিআইএর সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০২১ সালে যখন তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয় তখন তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের বিশেষ ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। সেনাদের ওপর গুলির ঘটনার পর পুরো অভিবাসন ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ে। এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি এমন ঘোষণা দিয়েছেন।
“দেশের বিদেশি নাগরিকদের সমস্ত সরকারি সুবিধা ও আর্থিক সাহায্য বন্ধ করা হবে। যেসব বিদেশি আমাদের দেশের শান্তি নষ্ট করবে, তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে।”“যেকোনো বিদেশি, তিনি যদি দেশের বোঝা হন, নিরাপত্তার জন্য বিপদের কারণ হন, বা যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পারেন, তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।”
এই সবের মূল লক্ষ্য হলো—অবৈধভাবে আসা ও সমস্যা সৃষ্টিকারী মানুষের সংখ্যা অনেক কমানো। বিশেষ সুবিধায় যারা বেআইনিভাবে ঢুকেছে, তারাও এর মধ্যে পড়বে।”যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থার উন্নতির জন্য অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, “এই অবস্থা পুরোপুরি ঠিক করার একমাত্র উপায় হলো অভিবাসীদের আবার নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।”
কিউএনবি/খোরশেদ/২৮ নভেম্বর ২০২৫,/দুপুর ১:১৮