স্পোর্টস ডেস্ক : তুরস্কের স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের তথ্যমতে, কোচের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ফেনেরবাচেকে ইস্তাম্বুলের ফোর সিজনস হোটেলে মরিনহোর বিলাসবহুল আবাসনের জন্য প্রায় ৩৬.৫ মিলিয়ন তুর্কি লিরা বা আনুমানিক ৭.৫ লাখ ইউরো খরচ করতে হয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় এই অঙ্কটা ১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকারও বেশি। মরিনহো সেখানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ছিলেন।
২০২৪ সালে ইউরোপীয় গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ফেনেরবাচের দায়িত্ব নেওয়া মরিনহো হোটেলটির সবচেয়ে এক্সক্লুসিভ স্যুইটে থাকতেন, যেখান থেকে বসফরাস প্রণালীর মনোরম দৃশ্য দেখা যেত এবং বিলাসিতার কোনো ঘাটতি ছিল না। তুর্কি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেই ব্যয়ের তথ্য ক্লাবের ভেতরে বিতর্ক তৈরি করেছে, বিশেষত ২০২৫ এর আগস্টে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ালিফায়ারে বেনফিকার কাছে পরাজয়ের পর তাকে আকস্মিক ক্লাব থেকে বিদায় করার পর।
ইস্তাম্বুলের ক্লাবটিতে কাটানো ১৫ মাসে মরিনহো নিয়মিত শিরোনাম হয়েছিলেন। কখনও ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে বিরোধে, কখনও তীর্যক মন্তব্যের কারণে, আর এখন তার আবাসন ব্যয় নিয়েও শোরগোল চলছে। এই বিশাল অঙ্কের হোটেল বিল তো আছেই, তাকে বরখাস্তের সময় দিতে হয়েছে প্রায় ১২ থেকে ১৫ মিলিয়ন ইউরো! সব মিলিয়ে মরিনহোর জন্য ক্লাবটিকে গুণতে হয়েছে বিশাল অঙ্কের মাশুল।
স্বভাবসুলভভাবে মরিনহো এই বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তুরস্কের অনেকেই মনে করছেন, এই ঘটনা তার সময়কালীন ব্যয়ের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরছে। সব মিলিয়ে তুরস্কে তার থাকা-খাওয়া, বেতন ও ক্ষতিপূরণে মোট ব্যয় ক্লাবের এক শীর্ষ তারকার বার্ষিক বেতনের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
তার বিদায়ের সময় ক্লাব আবারও বড় হতাশায় পড়ে, কারণ চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপপর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। এতে ক্লাব বোর্ডের প্রতি সমালোচনা আরও বেড়ে যায়, বিশেষত খেলোয়াড়দের বেতন ও কোচের বিলাসবহুল খরচ নিয়ে।
কিউএনবি/আয়শা/১৩ নভেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৪:০৫