মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন

১২১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ Time View

নিউজ ডেক্সঃ   সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ১২১ বার তারিখ পেছাল। আলোচিত এ মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত এসপি মো. আজিজুল হক আদালতে হাজির হলেও প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমান প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিকে এদিন দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে মামলার তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে শুনানি শুরু হয়৷ এ সময় বিচারক মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চান, আপনি কি সিআইডিতে? তখন এ তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, না স্যার আমি পিবিআইতে। বিচারক তখন বলেন, এই মামলায় তদন্তে অগ্রগতি কতদূর? তখন তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়।

এরপর আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তদন্তের। আমি এই মামলার সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও ডিএনএ বিশেষজ্ঞদের জিজ্ঞাসাবাদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি। দুই জনের মিক্সড ডিএনএর তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এসব কারণে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে দেরি হচ্ছে। কিছুদিন আগে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় পার হলেও, উচ্চ আদালতে থেকে আরও সময় নেওয়া হয়।

এ সময় বিচারক বলেন, যা বুঝলাম। আগের এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যিনি ছিলেন তিনিও একই কথা বলেছেন। আপনার তদন্তের অগ্রগতিতে আদালত অসন্তোষ। আপনি আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। এর আগে, গত ১১ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন আদালত।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ আটজনকে আসামি করা হয়। বাকি আসামিরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদকে আসামি করা হয়।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন শেরেবাংলা নগর থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দম্পতি সাগর ও রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলার তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর গত ১৮ অক্টোবর পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কমিটিকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়। তবে এখনো তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি টাস্কফোর্স।

অনলাইন নিউজ ডেক্সঃ
কুইক এন ভি/রাজ/১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫/ বিকালঃ ০২.৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit