আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শুক্রবার (১৫ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন। গণমাধ্যমটি বলছে, আমদানির এই বৃদ্ধি সাশ্রয়ী মূল্যের পোশাকের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং দেশের ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য সংকট—উভয়কেই প্রতিফলিত করে।
প্রতিবেদন মতে, পাকিস্তানে স্থানীয়ভাবে তৈরি নতুন বা ব্র্যান্ডেড পণ্য কিনতে অক্ষম উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ ‘লন্ডা বাজার’ বা ‘ফ্লি মার্কেট’ নামে পরিচিত সেকেন্ড-হ্যান্ড পোশাকের বাজারের দিকে ঝুঁকছেন।
বলা হচ্ছে, শেরশাহ এবং বেনারসের মতো এই বাজারগুলো নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর জন্য জীবনরেখা হয়ে উঠেছে, যেখানে ব্যবহৃত পোশাক, জুতা এবং অন্যান্য জিনিসপত্র নতুন বা ব্র্যান্ডেড পণ্যের চেয়ে কম দামে বিক্রি হয়। বিশ্বব্যাংকের সবশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তানের জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ শতাংশ এখন দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।
দারিদ্র্য বৃদ্ধির জন্যই সেকেন্ড-হ্যান্ড পোশাক আমদানি বেড়েছে বলে মনে করেন পাকিস্তান সেকেন্ড হ্যান্ড ক্লোথিং মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (পিএসএইচসিএমএ)-এর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ উসমান ফারুকী।
তিনি জানান, পাকিস্তানের অনেক পরিবার, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবার, ক্রমবর্ধমানভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের ব্যবহৃত পণ্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এ কারণে, সরকারের কাছে এই আমদানির ওপর বিভিন্ন কর ও শুল্ক কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফারুকী।
সূত্র: দ্য ডন
কিউএনবি/আয়শা/১৫ আগস্ট ২০২৫/বিকাল ৩:১৫