শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাঙামাটি শহরে ডিবির অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ রিটন চাকমা আটক নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-ছেলের মৃত্যু তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসই নদীশাসনের প্রত্যয়, লালমনিরহাটে তিন মন্ত্রীর ব্যারাজ ও ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন লন্ডনে এক পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ আটোয়ারীতে আগমনী কুষ্ঠ ও প্রতিবন্ধী সমাজকল্যাণ সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভা, গাছের চারা বিতরণ ও অফিস ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবর্তন করা হচ্ছে সেই দুই ইউনিয়নের নাম পুরোনো ভিডিও দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের গুজব ছড়াচ্ছে আ.লীগ:পুলিশ নওগাঁয় আর.সি.সি রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

তিস্তাতীরে কান্না, সিন্ডিকেটের উৎসব..

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৬১ Time View
সংগৃহীত ছবি..

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদী যেন এখন এক ‘সোনার খনি’। আর সেই খনির পাহারাদার একদল প্রভাবশালী পাথরখেকো সিন্ডিকেট। নদীর বুক চিরে প্রতিদিন উত্তোলন হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট পাথর, যা উত্তোলন হচ্ছে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও লোহার তৈরি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে। এসব কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যেই ঘটছে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের চোখের সামনে, কিন্তু নেই কার্যকর কোনো প্রতিরোধ। নেই পর্যাপ্ত আইন প্রয়োগের দৃশ্যমান ব্যবস্থা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাইশপুকুর, চরখড়িবাড়ি, একতা বাজার, তেলির বাজার, তিস্তা বাজার, কালিগঞ্জ, ছোটখাতা গ্রোয়েন বাঁধ ও ডালিয়া বাজারসহ অন্তত ১৫-২০টি স্থানে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট প্রতিদিন নদী খুঁড়ে পাথর তুলছে। ব্যবহৃত হচ্ছে প্রায় ৩০-৪০টি যান্ত্রিক নৌকা, যেগুলো প্রতিদিন গড়ে ৬০০-১,০০০ ঘনফুট পর্যন্ত পাথর উত্তোলন করছে। এতে দৈনিক উত্তোলিত পাথরের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৫,০০০ ঘনফুটের ঊর্ধ্বে, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১৫-২০ লাখ টাকা। সিন্ডিকেট প্রতি ঘনফুট পাথর শ্রমিকদের কাছ থেকে ৪০-৫০ টাকা দরে কিনে, কিছু প্রক্রিয়াজাত করার পর নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ও ঠিকাদারদের কাছে বিক্রি করছে ১০০-১২০ টাকায়। ফলে মাসিক অবৈধ আয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৪-৫ কোটি টাকা, যার এক টাকাও সরকারি কোষাগারে রাজস্ব হিসেবে যাচ্ছে না। এই বিপুল পরিমাণ পাথর পরিবহনের জন্য প্রতিদিন শতাধিক টলি (ট্রাক্টর) ও ট্রাক চলাচল করছে ডিমলা উপজেলার প্রধান ও উপসড়কগুলো দিয়ে। অতিরিক্ত ওজনের এসব যানবাহনের কারণে গ্রামীণ সড়কগুলো চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোথাও কোথাও ইট-বালু উপড়ে গিয়ে তৈরি হচ্ছে গর্ত ও ধুলাবালির স্তূপ, যা স্থানীয়দের যাতায়াতের জন্য হয়ে উঠেছে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :
কিউএনভি/রাজ/২৯ জুলাই ২০২৫/সকাল:১১.৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit