সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ জনের ১০ জনই ফেরিওয়ালা ব্যাচভিত্তিক গ্রুপিং, ‘ট্যাগিং’ আর ফেসবুক অপপ্রচার : ভুল সিদ্ধান্তে পুলিশ প্রশাসনে অসন্তোষ জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ জনের মৃত্যু লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৭০ বাংলাদেশি স্থানীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন না করার পরিকল্পনা ইসির দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সন্ধ্যার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির আহবায়ক সৈয়দ সালাউদ্দিন সদস্য সচিব মো:রুবেল  চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা হারাল এসি মিলান

কী হবে সত্যজিৎ রায়ের বাড়িটির

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, সুকুমার রায় ও ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের পূর্বপুরুষের ময়মনসিংহের বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। বাড়িটি শহরের হরিকিশোর রায় রোডে অবস্থিত। ইতোমধ্যে স্থাপনাটি ভাঙার বিষয়ে কাগজপত্র চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। এমন খবরে নেটিজেনরা বিরূপ মন্তব্য করছেন সমাজমাধ্যমগুলোয়। জীর্ণ এ ভবনটি শিশু একাডেমী ব্যবহার করত। ২০০৭ সালের পর থেকে আর কোনো কার্যক্রম চালানো যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ শিশু একাডেমীর জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা মো. মেহেদী জামান বলেন, ‘বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় ভাড়া বাসায় একাডেমীর কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সব প্রক্রিয়া মেনে স্থাপনাটি ভাঙা হচ্ছে। এখানে আপাতত একটি আধাপাকা এবং পরে পাঁচ তলা স্থাপনা হবে। স্থাপনাটি রেখে কোনোভাবে করার সুযোগ ছিল না।’

জানা গেছে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের শশীলজ জাদুঘরের মাঠ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন বাড়িটি ভাঙা সম্পর্কে তথ্য চেয়ে সোমবার জেলা শিশুবিষয়ক কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাদের জরিপে এসব স্থাপনা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারে। সে কারণে বাড়িটি ভাঙা সম্পর্কে শিশু একাডেমীর কাছে তথ্য চেয়ে আবেদন করেছি। শতবর্ষী স্থাপনা হিসেবে আমরা চাই বাড়িটি রক্ষা পাক।’ প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক-লেখক স্বপন ধর জানান, বাড়িটি কয়েকবার হাতবদল হয়েছে। এটি সর্বশেষ প্রখ্যাত সমাজসেবী রণদা প্রসাদ সাহা কিনে নিয়েছিলেন। স্থাপত্যশৈলী দেখে বোঝা যায়, ভবনটি ১৭৮৭ সালের পর গড়ে ওঠে।

তিনি আরও জানান, ‘মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী তাঁর সমমনা হিতাকাক্সক্ষীদের নিজের কাছাকাছি নিয়ে আসেন। তাঁদের মধ্যে ছিল হরিকিশোরদের পরিবার। ভবনটির পাশেই হরিকিশোরের ভবন আছে। যেহেতু ভবনটি পাশাপাশি, ধারণা করছি এটিও তাঁদেরই বংশধরদের কারও।’

কিউএনবি/অনিমা/১৬ জুলাই ২০২৫,/বিকাল ৪:১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

May 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit