বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

লাহোর কালান্দার্সে কেমন সময় কাটল ৩ বাংলাদেশির

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
  • ২১ Time View

স্পোর্টস ডেস্ক : কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স ও লাহোর কালান্দার্সের ফাইনালের মধ্য দিয়ে রোববার শেষ হয়েছে পিএসএল। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল ম্যাচে কোয়েটাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে লাহোর কালান্দার্স। আর এ টুর্নামেন্ট জয়ের ট্রফি হাতে শাহিন শাহ আফ্রিদির বিজয়মুখ, পাশে উল্লাসে ফেটে পড়া সতীর্থরা—এমন ছবিই ধরা পড়েছে ২০২৫ পাকিস্তান সুপার লিগ ফাইনালের শেষে। সেই ফাইনালেও ছিল বাংলাদেশ। কারণ  লাহোরে ছিলেন তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটার– রিশাদ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসান। মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসান ফাইনালে না খেললেও রিশাদ হোসেন খেলেছেন। বল হাতে ছন্দে ছিলেন, রিশাদ নিয়েছেন ১ উইকেট। 

পিএসএল শুরুর আগে খেলার কথা ছিল তিন বাংলাদেশির। লাহোর কালান্দার্সে রিশাদ হোসেন, করাচি কিংসে লিটন দাস এবং পেশোয়ার জালমিতে নাহিদ রানা। তবে করাচির হয়ে মাঠে নামার আগেই টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে যায় লিটনের। অনুশীলনের সময় হাতে মারাত্মক চোট পেয়ে পিএসএল শেষ হয়ে যায় লিটন দাসের, ফিরে আসেন দেশে। অন্যদিকে নাহিদ রানা জিম্বাবুয়ে সিরিজের সিলেট টেস্ট শেষ করে পেশোয়ারের হয়ে খেলতে গেলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।

মাঝে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধাবস্থার কারণে পিএসএল স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে আসেন নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেন। পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের সিরিজে খেলেছেন তারা। সিরিজ শেষে রানা দেশে ফিরে গেলেও পাকিস্তান চলে যান রিশাদ। যোগ দেন লাহোরের ডেরায়। এর মধ্যেই ভারত-পাক যুদ্ধের কারণে অনেক বিদেশি খেলোয়াড় চলে যাওয়া লাহোর কালান্দার্স দলে ভিড়িয়েছে সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজকে। যুদ্ধবিরতির পর পিএসএল শুরু হলে রিশাদ দলে যুক্ত হওয়ায় লাহোর দলে দেখা যায় তিন বাংলাদেশিকে। 

এই তিন বাংলাদেশির মধ্যে পিএসএল সবচেয়ে ভালো গেছে রিশাদেরই। ৭ ম্যাচ খেলে ১৩ উইকেট শিকার করেছেন রিশাদ। বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন টাইগার লেগি। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেট শিকার করে দলকে এনে দিয়েছেন ব্রেক থ্রু। ফাইনাল ম্যাচেও তুলেছেন ১ উইকেট, কোয়ালিফায়ারে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। সব মিলিয়ে নিজের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে রিশাদ ছিলেন অনবদ্য।

লাহোরের বাকি দুই বাংলাদেশির মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। সাকিব তিন ম্যাচ খেলে ২ ইনিংসে ব্যাট করে রানের দেখা পাননি। দুই ম্যাচেই মেরেছেন ডাক। বল হাতে তিন ম্যাচে হাত ঘুরিয়েছেন ৬ ওভার। ৪৯ রান খরচায় নিয়েছেন ১ উইকেট। ফাইনাল ম্যাচের জন্য লাহোরের দুটি একাদশের মধ্যে একটিতে ছিলেন সাকিব। অন্যটিতে ছিলেন সিকান্দার রাজা। একদম শেষ মুহূর্তে রাজা চলে আসায় সাকিবকে বাদ দিয়ে রাজাকে নিয়ে মাঠে নামে লাহোর। শেষমেশ সেই রাজার রাজত্বেই শিরোপার দেখা পেয়েছে লাহোর কালান্দার্স।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৬ মে ২০২৫, /বিকাল ৫:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit