ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘পরোক্ষ আলোচনা হলে ইরানের সাথে রাজনৈতিক সমাধানের বিষয়ে ওয়াশিংটন যে সত্যিই আগ্রহী তা বোঝার একটা সুযোগ থাকে।’যদিও সেই পথটিও অত্যন্ত কঠিন তারপরও মার্কিন বার্তা যদি এটিকে সমর্থন করে তবে এই ধরনের আলোচনা শীঘ্রই শুরু হতে পারে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
গত মাসে ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে পাঠানো এক চিঠিতে বলেছিলেন, তিনি আশা করেন তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার জন্য তাদের মধ্যে একটি আলোচনা হবে। এ বিষয়ে ট্রাম্প গত সপ্তাহে জোর দিয়ে বলেন, ‘যদি তারা কোনও চুক্তি না করে, তাহলে সেখানে বোমা হামলা করা হবে।’
এদিকে তেহরান ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক এবং বাহরাইনকে নোটিশ জারি করেছে যে, ইরানের উপর মার্কিন হামলায় যেকোনো সমর্থন জানালে তাহলে তা শত্রুতামূলক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এমনকি হামলার সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা চালায় তাহলেও সেটি উস্কানিমূলক আচরণ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড ‘তাদের জন্য মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এদিকে, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং বাহরাইন সরকারের মুখপাত্ররা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের জবাব দেননি। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এর মধ্য দিয়ে তারা কোনও সতর্কীকরণ বার্তা দেয়নি তবে অন্যান্য চ্যানেলের মাধ্যমেও এই ধরনের বার্তা পাঠানো হতে পারে।
অন্যদিকে বুধবার, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে কুয়েত ইরানকে আশ্বস্ত করেছে, তারা তাদের মাটি ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না।