স্পোর্টস ডেস্ক : ৩২.২ বলে অলআউট হয়ে যাওয়া প্রাইম ব্যাংকের ১০ উইকেটে ১৭৪ রানের মধ্যে অর্ধেকের বেশিই এসেছে শামিমের ব্যাট থেকে। স্রোতের প্রতিকূলে দাঁড়িয়েও টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ব্যাট করেন তিনি। সঙ্গীর সংকীর্ণতায় তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সেঞ্চুরিটাও পাওয়া হয়নি। ৬১ বলে ৮৯ রান করে আউট হন তিনি।
শামিম ইনিংস সাজান ১০ চার ও ৪ ছয়ের মারে। তার ৭ সতীর্থের মিলিত রান ২৩। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে তাইজুল ইসলাম ৪ ও এবাদত হোসেন ৩ উইকেট নেন। শামিমের ইনিংস বৃথা গেছে তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজের হাফসেঞ্চুরিতে। ৩০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তারা।
৬৪ রানের মধ্যেই মোহামেডানের ৪ উইকেট তুলে নিয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। রনি তালুকদার ০, আরাফাত সানি জুনিয়র ১৯, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ১০ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৭ রান করেন প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর হৃদয় ও মিরাজের দৃঢ়তায় লম্বা পথ পাড়ি দেয় মোহামেডান। পঞ্চম উইকেটে তারা গড়ে তুলেন ৯১ রানের জুটি।
হৃদয় ৫৭ রান করে হাসান মাহমুদকে উইকেট দেন। আরিফুল ইসলামকে নিয়ে মিরাজ জয় নিশ্চিত করে অপরাজিতও থঅকেন। ৫৫ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬৭ রান। আরিফুল করেন ১১ রান। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে হাসান ৩ উইকেট নেন। এই জয়ের ফলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে উঠেছে মোহামেডান। ১০ পয়েন্ট নিয়ে চারে প্রাইম ব্যাংক।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ এপ্রিল ২০২৫,/বিকাল ৫:০০