রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আগামী মাসেই শুরু হবে বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন: গভর্নর উন্নয়নে গুরুত্ব পাবে সব উপজেলা: এলজিআরডি মন্ত্রী ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর রোনালদোকে নিষিদ্ধ করল পর্তুগাল হরমুজ খুললেও কাটছে না জ্বালানি সংকট, কবে কমবে পেট্রল-ডিজেলের দাম? স্ত্রীর থেকে আলাদা ৩৫ বছর, কেন আইনি বিচ্ছেদে যাননি নানা পাটেকর? ‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই ভারতের আসল বস’, আম্বানিকে খোঁচা মাস্কের ১৭০ কি. মি বেগে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানল হ্যারিকেন ইসাইয়াস ‘কখনো ক্ষমা চাননি’, নানা পাটেকরকে নিয়ে ফের মুখ খুললেন তনুশ্রী ‘মিস্টার মোদি যা খুশি করুন, আপনাকে আমরা ঘিরে ফেলছি, আমরা পেছাব না’

দক্ষিণ কোরিয়ায় ৯ বছরের মধ্যে প্রথম জন্মহার বাড়ল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৪ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বুধবার বার্তা সংস্থার রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় বিয়ে করার হার বাড়ায় দেশটিতে প্রজনন হারও বেড়েছে। এতে দক্ষিণ কোরিয়ায় জনসংখ্যাগত সংকট কেটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্ট্যাটিস্টিক্স কোরিয়া অনুসারে ২০২৪ সালে দেশটির উর্বরতা হার, অর্থাৎ একজন নারীর প্রজননকালীন সময়ে গড়ে যত শিশু জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা থাকে, তা ছিল ০.৭৫।
২০২৩ সালে, দেশটিতে জন্মহার টানা অষ্টম বছরের মতো কমে ০.৭২-এ দাঁড়িয়েছিল যা বিশ্বের সর্বনিম্ন। ২০১৫ সালে এই হার ছিল ১.২৪।  আর দেশজুড়ে, গত বছর রাজধানী সিউলে জন্মহার সর্বনিম্ন ছিল ০.৫৮।

২০১৮ সাল থেকে, দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) একমাত্র সদস্য, যার জন্ম হার ১ এর নিচে। 
এর আগে দক্ষিণ কোরিয়া জন্মহার বাড়াতে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ হাতে নেয়। তরুণদের বিয়ে করতে এবং সন্তান ধারণে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
 
দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমানের অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের ‘জাতীয় জনসংখ্যাগত সংকট’ ঘোষণা করা এবং নিম্ন জন্মহার মোকাবিলায় একটি নতুন মন্ত্রণালয় তৈরির পরিকল্পনাও করা হয়।
 
পরিসংখ্যান কোরিয়ার একজন কর্মকর্তা পার্ক হিউন-জং এক ব্রিফিংয়ে বলেন, এখন দেশের সামাজিক মূল্যবোধে পরিবর্তন এসেছে। বিবাহ এবং সন্তান জন্মদান সম্পর্কে আরও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে।

এছাড়া ২০২৪ সালে বিবাহ ১৪.৯% শতাংশ বেড়েছে। যা ১৯৭০ সালে তথ্য প্রকাশ শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বেশি। এশীয় দেশটিতে বিবাহ এবং জন্মের মধ্যে উচ্চ সম্পর্ক রয়েছে, যার সময়কাল এক বা দুই বছর, কারণ বিবাহকে প্রায়শই সন্তান ধারণের পূর্বশর্ত হিসেবে দেখা হয়।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫,/দুপুর ১২:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit