শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিয়ন্ত্রণ: কপার টি-এর সুবিধা অসুবিধা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি চিরাগের সাথে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন কঙ্গনা কেন ইরান যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে নেই বড় কোনো প্রতিবাদ, নেপথ্যে কী? রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রশ্নে যা বললেন মির্জা ফখরুল ইরানকে ‘সঠিক পথ’ বেছে নেয়ার আহ্বান মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ইমামতি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানার নামে ভুয়া মন্তব্য প্রচার প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের নববর্ষ উদযাপনের প্রচারিত ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ‘মনস্তাত্ত্বিক অপারেশন’ চালাচ্ছে রয়টার্স: ইরান ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল পাম্পিং শুরু ১৫ বছর পর বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে আসছে অস্ট্রেলিয়া

দুর্নীতি দমনে ইসলামের নির্দেশনা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৬০ Time View

ডেস্ক নিউজ : মুফতি জাকারিয়া হারুন

এ ব্যবস্থা আত্মস্থ করে এমন একদল মানুষ তৈরি হয়েছিলেন, যারা অপরাধের পর বিবেকের কষাঘাতে টিকতে না পেরে নিজেদের অপরাধের বিচার প্রার্থনার জন্য নবীজির বিচারালয়ে হাজির হতেন। নিজে ক্ষুধার্ত থেকে অভুক্তকে নিজের খাদ্য বিলিয়ে দেওয়ার মানসিকতা গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে।
 

 
এ ধরনের তাকওয়াভিত্তিক রাষ্ট্রের উন্নয়নকল্পে আল্লাহ আসমান ও জমিনের দুয়ারগুলো খুলে দেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَ لَوۡ اَنَّ اَهۡلَ الۡقُرٰۤی اٰمَنُوۡا وَ اتَّقَوۡا لَفَتَحۡنَا عَلَیۡهِمۡ بَرَكٰتٍ مِّنَ السَّمَآءِ وَ الۡاَرۡضِ وَ لٰكِنۡ كَذَّبُوۡا فَاَخَذۡنٰهُمۡ بِمَا كَانُوۡا یَكۡسِبُوۡنَঅর্থ: যদি সে সময় জনপদের মানুষগুলো ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত, তাহলে আমি তাদের ওপর আসমান ও জমিনের যাবতীয় বরকতের দুয়ার খুলে দিতাম, কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছে, অতঃপর তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য আমি তাদের পাকড়াও করেছি। (সুরা আরাফ, আয়াত : ৯৬)

 
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, মাখজুম গোত্রের এক নারীর চুরির ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুলল। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসুলের সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তারা বলল, একমাত্র রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ উসামা বিন জায়েদ (রা.) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা (রা.) নবীজির সঙ্গে কথা বলেন।
 
নবীজি বললেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘনকারিণীর সাজা মওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবীজি দাঁড়িয়ে খুতবায় বললেন,  তোমাদের আগের জাতিগুলোকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোনো বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে কোনো অসহায় গরিব সাধারণ লোক যদি চুরি করত, তখন তার ওপর হদ জারি করত।
আল্লাহর কসম, যদি মুহাম্মাদ-এর কন্যা ফাতেমা চুরি করত, তাহলে আমি অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম। (বুখারি: ৩৪৭৫) এ হাদিস থেকে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় জাতি, গোত্র, বর্ণ নির্বিশেষে সর্বকালে সব সমাজে ইসলামি আইন সমতার বিধান করে। এখানে জাতি, গোত্র, আর বর্ণের কোনো বিভেদ থাকে না। দুর্নীতি রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ইসলাম দুর্নীতিকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
 
রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 

দুর্নীতিবাজ শাসক কিয়ামতের দিনে আল্লাহর সামনে বড় শাস্তি পাবে। (ইবনে মাজাহ: ৪০১৯)

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩ ডিসেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit