সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সমাজসেবা অধিদপ্তরের ৪ কর্মকর্তার অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন বেকার হয়ে গেলেই মনে হয় পাপ করেছি, পপিকে খোঁচা বাপ্পারাজের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুরে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ ইমরান খান ইস্যুতে ক্রিকেটারদের সতর্ক করল পিসিবি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ৩৯ বছর এমন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ল পাকিস্তান দেব-শুভশ্রীর ‘দেশু ৭’ টিজার প্রকাশ, তাতেই বিক্রি ৭ হাজার গোল্ডেন টিকিট পাইলটের বেশে বিমানবন্দরে তৌসিফ, যাত্রীদের অবাক করা কৌতূহল! দুই মাসের সফরে আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৫৭ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন সূর্যবংশী

শীতের কষ্টে সওয়াব অর্জনের সুযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৭৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : মুফতি আবদুল্লাহ তামিম

হাদিসে শীতকাল সম্পর্কে বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

শীতকাল মুমিনের বসন্তকাল। কারণ, এর দিন ছোট হয়, ফলে রোজা রাখা সহজ হয়, আর রাত দীর্ঘ হয়, ফলে ইবাদতের জন্য সময় পাওয়া যায়। (মুসনাদ আহমাদ, হাদিস: ১৮৯০৩)

শীতে ইবাদতে সওয়াব অর্জনের সুযোগ রোজা রাখা সহজ। শীতকালে দিনের সময় ছোট হওয়ায় রোজা রাখা তুলনামূলক সহজ হয়ে যায়। বিশেষত নফল রোজা রাখার জন্য এটি একটি বিশেষ সুযোগ। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

রোজা হলো জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার ঢাল। (সহিহ বোখারি, হাদিস: ১৮৯৭) শীতের দিনে নফল রোজা পালনকারীরা সহজেই অধিক সওয়াবের অধিকারী হতে পারেন।

রাতের ইবাদত সহজ। শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ার কারণে তাহাজ্জুদ, কুরআন তিলাওয়াত, এবং জিকিরের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তাহাজ্জুদের জন্য রাতের শেষভাগ হলো সর্বোত্তম সময়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭৫৮)তাহাজ্জুদ পড়া আত্মিক প্রশান্তি আনার পাশাপাশি আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ মাধ্যম।

শীতের কষ্টে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। শীতকালের তীব্র ঠাণ্ডা সহ্য করা, বিশেষত দরিদ্র মানুষদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। যারা এই পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করেন, তারা সওয়াব লাভ করেন। আল্লাহ বলেন,

নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের বিনা হিসাবেই পুরস্কার দেওয়া হবে। (সুরা আয-জুমার, আয়াত: ১০) অন্যদের সাহায্য করতে হবে। শীতকালে দরিদ্র ও অসহায়দের শীতবস্ত্র প্রদান বা তাদের সাহায্য করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজনে সাহায্য করে, আল্লাহ তাআলা তার প্রয়োজন পূর্ণ করেন। (সহিহ বোখারি, হাদিস: ২৪৪২) হযরত উমর (রা.) বলেছেন, শীতকাল হলো ইবাদতকারীদের জন্য এক দুর্লভ উপহার। (আল-মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, হাদিস: ২৬১৩৭) এই উক্তি থেকে বোঝা যায়, শীতের সময়টি ইবাদতের জন্য কতটা উপযোগী এবং তা গ্রহণ করা উচিত।

শীতকাল আমাদের জন্য ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছাকাছি যাওয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ। ঠাণ্ডার কষ্ট সহ্য করার মাধ্যমে ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং দীর্ঘ রাতগুলো ইবাদতে কাটানোর মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। শীতের মৌসুমে দরিদ্রদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া আমাদের দায়িত্ব। শীতকালীন এই সময়টিকে ইবাদত, ধৈর্য, এবং মানবিকতার চর্চার মাধ্যমে অর্থবহ করে তোলা আমাদের কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা আমাদের এ সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগানোর তাওফিক দান করুন। আমিন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১২ ডিসেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৪:২০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit