আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত শনিবার (৩১ আগস্ট) দক্ষিণ গাজার রাফা এলাকায় একটি সুড়ঙ্গ থেকে ছয় জিম্মির মরদেহ উদ্ধার করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তাদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিক।
ওই ছয় জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের পর ইসরাইলজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে রাস্তায় নামে লাখো মানুষ। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) ইসরাইলের প্রধান ট্রেড ইউনিয়ন হিস্ট্রাড্রট ব্যাপক ধর্মঘট পালন করে। এতে তেল আবিবসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
এর আগের দিন রোববার (১ সেপ্টেম্বর) নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ রাস্তায় বিক্ষোভ করেন। তারা জিম্মিদের মুক্তির জন্য অবিলম্বে চুক্তির দাবি জানান। আর এই তুমুল বিক্ষোভের জেরেই অবশেষে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করে ইসরাইলিদের কাছে ক্ষমা চান নেতানিয়াহু।
এদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুদ্ধবিরতির চুক্তি না করে ইসরাইল সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে জিম্মিদের মুক্ত করতে চাইলে তাদেরকে ‘কফিনে করে ফেরত পাঠানো হবে’।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায় হামাস। এতে ১২০০ জন নিহত হন। এছাড়াও ২৫০ জন ইসরাইলিকে জিম্মি করে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত ১১৭ জন বন্দিকে ফেরত দিয়েছে হামাস। এই হামলার পর হামাসকে নির্মূলে প্রায় ১১ মাস ধরে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। এতে এখন পর্যন্ত ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:৪৪